নিজস্ব প্রতিনিধি : টানা বৃষ্টির জেরে কার্যত থমকে গিয়েছে মুম্বইয়ের জনজীবন। কুরলা, সিওন, দাদার এবং পারেলের নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। সোমবারের পর মঙ্গলবারো বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার শহরে মেঘলা আকাশ থাকবে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। শুক্র ও শনাবার বজ্রপাত সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
মুম্বই জুড়ে কোথাও কমলা, কোথাও লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী কয়েক ঘন্টা ধরে শহর এবং উপকূলীয় মহারাষ্ট্র জুড়ে বৃষ্টিপাত হওয়ার সতর্কতা জারি করেছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর আগমনের ফলে মহারাষ্ট্র, গোয়া, কর্নাটকে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রাক বর্ষার জেরে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কেরল, কর্ণাটকে বিপর্যয় ডেকে এনেছে। সোমবার বিস্তির্ণ এলাকায় ২০০ মিলিমিটার-র বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কর্ণাটকে ২৭-৩০ মে পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পাশাপাশি কেরল ও দিল্লিতেও প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। কেরলে বাড়ি, রাস্তার ক্ষতি হয়েছে বিস্তর। ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য ওয়ানাড়, ইদুক্কি ও কোঝিকোড়ে শিবির তৈরি করা হয়েছে। মঙ্গলবার কেরল ও মাহেতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
পুনেতে ৩জন, কেরলে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রবল বৃষঅটির জন্য ট্রেন, বিমান পরিষেবা ব্যহত হয়েছে। একাধিক বিমান বাতিল হয়েছে। আবার দেরী করেও ছেড়েছে। কর্নাটকে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। স্থানীয় আবহাওয়া সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকে হিমাচল প্রদেশের অনেক জায়গায় বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শিমলা, কুল্লু এবং মান্ডি, কাংড়া, সোলান এবং সিরমৌর জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে। ৩০ ও ৩১ মে অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।