নিজস্ব প্রতিনিধি, লখনউ: আইডেন মার্করাম ও মিচেল মার্শের জোড়া অর্ধশতরানের সুবাদে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে বড় রানের স্কোর দাঁড় করাল লখনউ সুপার জায়ান্টস। সোমবার (১৯ মে) রাতে প্রথমে ব্যাট করে সাত উইকেট হারিয়ে ২০৫ রান তুললেন ঋষভ পন্থরা। যদিও এদিন ফের ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন আইপিএলের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় তথা লখনউয়ের অধিনায়ক। হায়দরাবাদের হয়ে এসান মালিঙ্গা ২৮ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন।
লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত ব্যুমেরাং হয়ে যায়। শুরু থেকেই হায়দরাবাদের বোলারদের উপরে চড়াও হন লখনউয়ের দুই ওপেনার মিচেল মার্শ ও আইডেন মার্করাম। প্রথম পাওয়ার প্লে-তে ৬৯ রান যোগ করেন দুজনে। তিনটি চার ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ২৮ বলেই অর্ধশতরান করেন মার্শ। ৯ ওভারে ১০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় লখনউ। ১০তম ওভারে জোড়া জীবন পান মার্শ। চতুর্থ বলে তাঁর ক্যাচ ফস্কান ঈশান কিশন। তখন ৫৭ রানে ব্যাট করছিলেন অজি ক্রিকেটার। ওই ওভারের শেষ বলে ফের ক্যাচ ফেলে দেন হর্ষল পটেল। তবে দু’দুবার বেঁচে যাওয়ার পরেও বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি মার্শ। ১১তম ওভারেই হর্ষ দুবের বলে এসান মালিঙ্গার হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফেরেন। আউটের আগে করেন ৩৯ বলে ৬৫ রান।
মার্শ সাজঘরে ফেরার পরে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন মার্করামও। হাফ সেঞ্চুরি করতে তিনি নেন ২৮ বলে। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা লখন্উ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ এদিন ফের ব্যর্থ হন। ছয় বলে সাত রান করে আউট হয়ে ফেরেন। তৃতীয় উইকেটে মার্করাম ও নিকোলাস পুরান দলকে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। ১৬তম ওভারে মার্করামকে সাজঘরের পথ ধরান হর্ষল পটেল। ৩৮ বলে ৬১ রান করে ফেরেন প্রোটিয়া ব্যাটার। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল চারটি চার ও চারটি ছক্কায়। পাঁচ নম্বরে নামা আয়ুষ বাদোনিও এদিন বড় রানের ইনিংস খেলতে পারেননি। এসান মালিঙ্গার বলে নীতীশ কুমার রেড্ডির হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন তিনি। চার বলে করেন মাত্র ৩ রান। এর পর দলকে বড় রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন নিকোলাস পুরান। বাউন্ডারির ফুলঝুরি ছোটান তিনি। যেভাবে খেলছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল তিনিও অর্ধশতরান পাবেন। কিন্তু শেষ ওভারে অযথা তাড়াহুড়ো করে রান নিতে গিয়ে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। আউট হওয়ার আগে করে যান ২৬ বলে ৪৫ রান। পরের বলে রান আউট হন শার্দুল ঠাকুর (৪)। এর পরের বলে আবদুল সামাদের (৪) স্টাম্প ছিটকে দেন নীতীশ রেড্ডি। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে ২০০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন আকাশদীপ।