নিজস্ব প্রতিনিধি, হায়দরাবাদ: বল হাতে আগুন ঝরিয়েছিলেন শার্দূল ঠাকুর। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন নিকোলাস পুরান। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত করলেন মিচেল মার্শও। আর এই ত্রয়ীর সুবাদেই বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ২৩ বল বাকি থাকতেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে জয় হাসিল করল লখনউ সুপার জায়ান্টস। দল জয়ের সরণিতে পা রাখায় মুখে হাসি ফুটেছে লখনউ কর্ণধার সঞ্জীব গোযেঙ্কার মুখে।
হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধি স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৯১ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে প্রথমেই হোঁচট খায় লখনউ। দ্বিতীয় ওভারেই আইডেন মার্করামকে (১) ফিরিয়ে জোর ধাক্কা দিয়েছিলেন মোহাম্মদ শামি। কিন্তু সেই ধাক্কা সামলাবেন নিকোলাস পুরান ও মিচেল মার্শ। তিন নম্বরে খেলতে নেমেই রুদ্রমূর্তি ধারন করেন ক্যারিবীয় ব্যাটার পুরান। শামি থেকে শুরু করে সিমরজিৎ সিংহদের পিটিয়ে ছাতু করতে থাকেন। চার আর ছক্কার পুলঝুরি ছোটান। পুরানের হাতে বেদম মার খেয়ে লাইন-লেংথ হারিয়ে ফেলেন হর্ষল পটেল-অভিষেক শর্মারা। মাত্র ৪৩ বলেই ১০৬ রান যোগ করেন পুরান-মার্শ। শেষ পর্যন্ত নবম ওভারে বল করতে এসে পুরানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ২৬ বলে ছয়টি চার ও ছয়টি ছক্কার সাহায্যে ৭৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন ক্যারিবীয় ব্যাটার। আউট হওয়ার আগে কার্যত জয়ের ভির গড়ে দিয়ে যান।
পুরান ফিরে যাওয়ার পর দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অজি ব্যাটার মিচেল মার্শ। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে অর্ধশতরান তুলে নেন। তবে অর্ধশতরানের পর পরই স্বদেশীয় প্যাট কামিন্সের বলে নীতীশকুমার রেড্ডির হাতে ক্যাচ তুলে আউট হন। আগের মতো এদিনের ম্যাচেও ব্যাট হাতে ফ্লপ হয়েছেন লখনউ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ১৫ বলে ১৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আযুষ বাদোনিকে (৬) ফেরান আ্যাডাম জাম্পা। পর পর উইকেট হারালেও লখনউকে বিপদে পড়তে হয়নি। ষষ্ঠ উইকেটে ডেভিড মিলার (অপরাজিত ১৩) ও আবদুল সামাদ (২২) মারমুখী মেজাজে ব্যাট করে ২৩ বল বাকি থাকতেই দলকে জয় এনে দেন।