মার্করাম-পুরানের চওড়া ব্যাট রুখে দিল গুজরাতের জয়রথ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, লখনউ: আইডেন মার্করাম ও নিকোলাস পুরানের চওড়া ব্যাটে গুজরাত টাইটান্সের জয়রথ রুখে দিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তুলেছিলেন শুভমন গিলরা। জবাবে আইডেন মার্করাম ও নিকোলাস পুরানের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের সুবাদে ৩ বল বাকি থাকতেই হাতে ৬ উইকেট নিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লখনউ। টানা চার ম্যাচ জয়ের পরে পরাজয়ের তেতো স্বাদ হজম করতে হল শুভমন গিলদের।

শনিবার (১২ এপ্রিল) লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে গুজরাত টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত ব্যুমেরা হয়ে যায়। শুরু থেকেই হাত খুলে খেলতে শুরু করেন গুজরাতের দুই ওপেনার শুভমন গিল ও সাই সুদর্শন। ৫.১ ওভারেই দলকে ৫০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। শার্দূল ঠাকুর-আকাশদীপ-দিগবেশ সিংহদের নিয়ে ছেলেখেলা করতে থাকেন দুই ব্যাটার। চলতি আইপিএলে ছন্দে না থাকা শুভমন ৩১ বলেই নিজের অর্ধশতরানে পৌঁছে যান। ৯.৪ ওভারে ১০০ রানের গণ্ডি পার করে গুজরাত। খানিকবাদে অর্ধশতরান পেয়ে যান সাই সুদর্শন। তিনি ৩২ বলে ৬টি চচার ও এক ছক্কার সাহায্যে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৩তম ওভারে বল করতে এসে শুভমনকে সাজঘরে ফেরান আবেশ খান। ৩৮ বলে ছয়টি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ৬০ রান করে ফেরেন গুজরাত অধিনায়ক। পরের ওভারে ফিরে যান সাই সুদর্শনও। রবি বিষ্ণোইয়ের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। আউটের আগে করে যান ৩৭ বলে ৫৬।

দুই ওপেনার ফিরতে গুজরাতের রান ওঠার গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ব্যাটিং লাইন আপও ভেঙে পড়ে। ওয়াশিংটন সুন্দর ফেরেন মাত্র দুই রান করে। শেরফানে রাদারফোর্ডকে সঙ্গে করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চচচালান জস বাটলার। যদিও তিনি বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। ১৪ বলে ১৬ রান করে দিগবেশ সিংহের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এর পরে পঞ্চম উইকেটে রাদারফোর্ড ও শাহরুখ খান জুটি বেঁধে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নেন। তবে হাতে উইকেট থাকা সত্বেও দুজনকে তেমন মারমুখী মেজাজে দেখা গেল না। ১৯তম ওভারে আবেশ খানের বলে নেন ১২ রান। শেষ ওভারে গুজরাত শিবিরে জোড়া ধাক্কা দেন শার্দূল ঠাকুর। তৃতীয় বলে রাদারফোর্ডকে (১৮ বলে ২২) ফেরান। পরের বলে আউট করেন রাহুল তেওয়াতিয়াকে (০)। তবে হ্যাটট্রিক রুখে দেন রশিদ খান। শট খেলেই দুই রান নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রানে পৌঁছয় গুজরাত। শাহরুখ খান ১১ ও রশিদ খান চার রানে অপরাজিত থাকেন।

জয়ের জন্য ১৮১ রান তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করেন লখনউয়ের দুই ওপেনার আইডেন মার্করাম ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। প্রথম পাওয়ার প্লে-তে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৬১ রান তোলে। তবে পাওয়ার প্লে শেষেই ধাক্কা খায় লখনউ। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলে ফিরে যান লখনউ অধিনায়ক ঋষভ। এদিন তিনি করেন ১৮ বলে ২১ রান। তার মধ্যে ছিল চারটে চার। লখনউ অধিনায়ক ফেরার পরে জুটি বেঁধে গুজরাতের বোলারদের শাসন করতে থাকেন মার্করাম ও পুরান। একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে গুজরাতের বোলারদের মনোবল তলানিতে নিয়ে যান পুরান। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ রান যোগ হওয়ার পরে মার্করামকেও ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। ৩১ বলে ৫৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন প্রোটিয়া ব্যাটার।

এর পরেই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানকারী নিকোলাস পুরান। তৃতীয় উইকেটে আয়ুষ বাদোনিকে সঙ্গে নিয়ে দলকে দেড়শো রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। পুরানকে (৬১) ফিরিয়ে দেন রশিদ খান। ডেভিড মিলারও (৬) দ্রুত ফেরেন। আচমকাই জমে ওঠে ম্যাচ। শেষ বলে জয়ের জন্য লখনউয়ের দরকার ছিল ৬ রানের। প্রথম বলে ওঠে এক রানে। দ্বিতীয় বলে চার ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয় এনে দেন বাদোনি। তিন বল বাকি থাকতেই হাতে ছয় উইকেট নিয়ে  জিতে যায় লখনউ। বাদোনি ২০ বলে ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন। গুজরাতের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা চার ওভার বল করে ২৬ রান দিয়ে দুই উইকেট ঝুলিতে পোরেন।

ICC-র জুনের সেরা দক্ষিণ আফ্রিকার আইডেন মার্করাম

মাত্র ২৯ বছরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ক্যারিবীয় ক্রিকেটার

ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে গুজরাতের জয়রথ রুখে দিলেন ঋষভ পন্থরা

মার্শ-মার্করামের চওড়া ব্যাটে ২০৫ রান তুলল লখনউ

ইডেনেই কমলা টুপির মালিকানা বদল, কার মাথায় উঠল?

মার্করাম-বাদোনির জোড়া অর্ধশতরানে রাজস্থানকে ১৮১ রানের লক্ষ্য দিল লখনউ

অনবদ্য গিল-সুদর্শন, লখনউকে ১৮১ রানের লক্ষ্য দিল গুজরাত

মার্শ-পুরানের বিধ্বংসী ব্যাটিং, জিততে কলকাতার চাই ২৩৯

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]