নিজস্ব প্রতিনিধি, পহেলগাঁও: পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার তদন্তের ভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশের পর এনআইএ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তেই মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।
২২ এপ্রিল মঙ্গলবার পাহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়েছেন। শারীরিকভাবে আহত অনেকে, কেউ কেউ মানসিকভাবেও আহত। হামলার পরদিন থেকেই জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
সন্ত্রাসী হামলার প্রধান সাক্ষী হিসেবে এগিয়ে এসেছেন একজন স্থানীয় ক্যামেরামান। হামলার সময় ওই ক্যামেরাম্যান একটি গাছে উঠে পুরো সন্ত্রাসী হামলার ভিডিওটি রেকর্ড করেছিলেন। এনআইএ’র বিশ্বাস ওই ক্যামেরাম্যানের সাক্ষয় ও প্রমাণ এই তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
রেকর্ডিং অনুসারে, প্রথমে দু’জন সন্ত্রাসী দোকানের আড়ালে লুকিয়ে ছিল। তারাই প্রথমে বেরিয়ে এসে পর্যটকদের কলমা পড়তে বলে। পরে তারাই চারজনকে গুলি করে ঘটনাস্থলে হত্যা করে। এর ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে,মানুষ এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। রেকর্ডিং অনুসারে, এই সময় অন্যান্য সন্ত্রাসীরা জিপ লাইনের কাছে বাইরে থেকে গুলি চালাতে শুরু করে।
জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্তে নেমে প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। বৈসরণ উপত্যকার এই সন্ত্রাসী হামলাকে কাশ্মীরের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলাগুলির মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সন্ত্রাসীদের কর্ম পরিকল্পনা সম্পর্কে সূত্র পেতে এনআইএ তাদের প্রবেশ এবং প্রস্থানের পথ ভাল ভাবে পরীক্ষা করছে। ফরেনসিক এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায়, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সন্ত্রাসী চক্রান্তের রহস্য উদঘাটনের প্রমাণ সংগ্রহের জন্য সমগ্র এলাকাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে।