নিজস্ব প্রতিনিধি: নতুন সংশোধিত ওয়াকফ আইন কার্যকর করতে চেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে বেশ কিছু আবেদন জমা পড়েছিল শীর্ষ আদালতের কাছে। মোট ৭২ টি মামলার আবেদন জমা পড়েছিল। বুধ ও বৃহস্পতিবার ছিল তারই শুনানি। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ মামলা শুনেছে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন।
সুপ্রিম কোর্টে ওয়াকফ মামলার শুনানি হল বৃহস্পতিবার। নয়া আইনের সমর্থনে সওয়াল করলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল। পরবর্তী শুনানির পর্যন্ত ওয়াকফ বোর্ড এবং পর্ষদে নিয়োগ করা যাবে না। নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
এদিন শুরুতেই সওয়াল করেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। ওয়াকফ সংশোধনী আইনের সুবিধা কী, তা ব্যাখা করেন বিচারপতির বেঞ্চের কাছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘কিছু ভাল দিক অবশ্যই রয়েছে। তবে পরিস্থিতি বদলে যাক, চাই না।’’ তারপরেই বিচারপতি জানান পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ওয়াকফ বোর্ড এবং পর্ষদে নিয়োগ করা যাবে না।
এর পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ১৯৯৫ সালের আইনে নথিভুক্ত ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোনও বদল ঘটানো যাবে না। নিয়োগ করা যাবে না ওয়াকফ বোর্ড বা পর্ষদেও। পরবর্তী শুনানির দিন ৫ মে ধার্য হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সিপিএমের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র ওয়াকফ সংশোধনী আইনের একটি নির্দিষ্ট ধারায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চেয়ে আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডির সাংসদ মনোজ ঝা আবেদন জমা দিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবং আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও ওয়াকফ আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন।