নিজস্ব প্রতিনিধি: কথায় বলে শিশু, পাখি, ফুল আর গান যে ভালবাসে না সে মানুষের পর্যায়ে পড়ে না। বহু বাড়িতে আজও পাখি পোষা হয়। ছোট ছোট বদ্রি মুনিয়া এসব তো হয়ই এমনকি লালঝুঁটি কাকাতুয়া সে যতই বায়না ধরুক না কেন ঠিক গৃহস্থ বাড়ির খাঁচার দাঁড়ে বসে দোল খায়। আবার কোন অজ পাড়া গায়ে থাকা টিয়া লাল ঠোঁটে লঙ্কা খায় আর হরে কৃষ্ণ বলে। যদিও বর্তমানে আইন করে পাখি পোষা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবুও আজও পোষ্য পাখির দেখা মেলে বহু মানুষের বাড়িতে। কিছু কিছু পাখি আছে যেগুলি বাড়িতে আসা খুব ভাল। আজ জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী।
শাস্ত্রমতে পায়রাকে শুভ ও শান্তির প্রতীক বলে মনে করা হয়। বাড়িতে পায়রা যদি বাসা করে তবে তা খুবই ভাল। বাসার গুরুত্ব সুখ সম্পদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যথেষ্ট। এতে মা লক্ষ্মীর কৃপাও মেলে। তবে পায়রার বাসা ঘর গৃহস্থকে নোংরা করতে থাকলে তা অশুভ ইঙ্গিত।
চড়ুই পাখি হল শুভতার প্রতীক। বাড়িতে চড়ুইয়ের আগমন শুভ ইঙ্গিত দেয়। বাড়ির বারান্দায় বা জানলায় যদি চড়ুই পাখি বাসা বাঁধে তাহলে তা শুভ লক্ষণ। বুঝবেন ঘরে মা লক্ষ্মীর কৃপা আসতে চলেছে। চড়ুই পাখি বাড়ির পূর্ব দিকে বাসা বাঁধলে তা শুভ সংকেত দেয়।”
হিন্দু পুরাণ ও শাস্ত্র অনুযায়ী, পেঁচাকে দেবী লক্ষ্মীর বাহন বলা হয়। যদি রাতের অন্ধকারে বাড়ির চারপাশে পেঁচা দেখতে পান তবে এর অর্থ সারা বছর ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স থাকবে পূর্ণ। বাড়িতে পাখির বাসা তৈরি হলে বুঝতে হবে আর্থিক অবস্থা আরও মজবুত হতে চলেছে।
বাড়ির আশেপাশে একজোড়া টিয়া পাখি দেখতে পেলে বুঝতে হবে খুব শীঘ্রই আপনার ভাগ্য খুলতে চলেছে। এমনকি বিবাহিত জীবনে গভীর প্রেম বৃদ্ধি করার লক্ষণ হিসেবেও ধরা হয়।
বাঙালি হুমকি দিতে গিয়ে যতই বলুন ‘তোর বাড়িতে ঘুঘু চড়াব’, আদপে ঘুঘু কিন্তু খুব ভাল পাখি। গৃহে ঘুঘু পাখি বাসা বাঁধলে তা অত্যন্ত শুভ ও সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়। সবসময় একটা বিষয় মনে রাখবেন, বাড়িতে যদি কোনও পাখি বাসা বাঁধেন তাহলে তা কখনও ভেঙ্গে দেবেন না। কাউকে আশ্রয়হীন করা মনুষ্যত্বের পরিচয় নয়।