নিজস্ব প্রতিনিধি : গরমকালে শরীরের সঠিক খেয়াল না রাখলে ভয় রয়েছে সংক্রমণের ফাঁদে পড়ার। এইসময় সঠিক খাবার-রুটিন ও শরীরচর্চাই বাঁচাতে পারে আপনাকে।ঘরে ঘরে বাড়ছে সুগারের রোগীর সংখ্যা। এমতাবস্থায় পুষ্টিবিদেরাও পরামর্শ দিচ্ছেন তালিকায় পুষ্টিকর খাবার রাখার।ওটস মত ফাইবার যুক্ত খাবার পাতে রাখা খুব জরুরী বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।এটি হজমশক্তি বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই সময় অতিরিক্ত তেল মশলা যুক্ত খাবার না খেয়ে অফিসের লাঞ্চ বক্সে বা বাচ্চাদের টিফিনে ওটস রাখতেই পারেন।
অনেকে ওটস দুধ, জল বা অন্য কোনো তরল খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খান।অনেকে আবার ওটসকে সারা রাত ভিজিয়ে পরের দিন খান।ওটসের সঙ্গে কেউ আবার ফল, বাদাম বা মধু মিশিয়েও খেয়ে থাকেন। জানেন কীভাবে ওটস খেলে বেশি কাজে আসে?রাতের ভেজানো ওটস আর রান্না করা ওটস আর এতে কি পুষ্টিগুণ একই?
পুষ্টিবিদেরা বলছেন,দুই ধরনের ওটসেই পুষ্টিগুণ পাওয়া যাবে।তবে যাদের হজমের সমস্যা আছে তারা রাতের ভিজিয়ে রাখা ওটস খেতে পারেন।শোষণের প্রশ্ন আসলে রাতভর ভিজিয়ে রাখা ওটসই এগিয়ে থাকবে। দীর্ঘ ক্ষণ ওটস ভিজিয়ে রাখার ফলে প্রথমত পুষ্টিগুণ বেশি পায় শরীর। দ্বিতীয়ত, এতে থাকা স্টার্চ ভেঙে যায়, ফলে খাবার হজমেও সহায়ক হয়।রান্না করা ওটসে ফাইটিক অ্যাসিড তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকে।তাই এটি হজমে বাড়তি সময় লাগে।
আরও পড়ুন : ভোরবেলা উঠে হাঁটতে যাচ্ছেন? কোন লাভ নেই!নিয়ম না জানলে সব বেকার
ওটসের সঙ্গে কী মেশাচ্ছেন তা দেখা গুরুত্বপূর্ণ।তার উপর নির্ভর করে তার ক্যালোরির পরিমাণ, কত ক্ষণ এতে পেট ভরা থাকবে।দুধ বা দইয়ে ভেজানো ওটসে বাদাম, ফল মিশিয়ে খাওয়া হয়।তবে রান্না করা ওটসে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের ডাল মেশানো হয়। আপনি এর মধ্যে অতিরিক্ত সবজি বা মাংসও যোগ করতে পারেন।