নিজস্ব প্রতিনিধি :পুষ্টিবিদরা বলছেন কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি, ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,পটাশিয়াম, জিংক ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড, কার্বোহাইড্রেট, খনিজ উপাদান ইত্যাদি।ড্রাই ফ্রুটসের এমন উপকারিতার কথা আমরা সকলেই জানি। উপকারী ভেবে অনেকে যখন তখন ড্রাই ফ্রুটস খেয়ে থাকেন।জানেন কী একদিনে আপনি কতগুলো আমন্ড খেতে পারেন?আমন্ড বেশি খেলে দেখা দিতে পারে একাধিক সমস্যা।আজ থেকেই সতর্ক হন।
আমন্ডে থাকে মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজনীয় দুটি পুষ্টিগুণ রিবোফ্লেভিন ও এল ক্যারনিটিন।উপাদান দুটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।মনে রাখার ক্ষমতা হারানো কিংবা মস্তিষ্কের রোগ আলঝেইমার হওয়ার শঙ্কাও দূর করে কাঠ বাদাম। আমন্ড ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর কাঠবাদাম খাওয়া ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই বলে অতিরিক্ত কাঠবাদাম খাওয়া উচিত নয়।একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন ২০-২৩ টা আমন্ড খেতে পারেন। এর বেশি খেতে চাইলে সেক্ষেত্রে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
আরও পড়ুন : রাতভর ভেজানো না রান্না করা,কোন ওটস খাওয়া ভাল জানেন?
বাদামে প্রচুর পুষ্টি গুণ থাকলেও।হার্ট থেকে মস্তিষ্ক সবেতেই পুষ্টি যোগায় আমন্ড। প্রতিদিন এই বাদাম খেলে শরীরে হয় দারুণ ম্যাজিক। কিন্তু সবথেকে বেশি হবে উপকার আমন্ড সঠিক পরিমাণ অনুযায়ী খেলে।পুষ্টিবিদরা বলছেন, প্রত্যেক মানুষের শরীর ভিন্ন। তেমনই ভিন্ন চাহিদাও। তাই সঠিক তথ্য জেনেই খাওয়া উচিত আমন্ড। পরিমাণ জেনে না খেলে সত্যিই হিতে বিপরীত হতে পারে। আপনার শরীরে প্রোটিন-ফ্যাটের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়াতে-কমাতে পারেন পরিমাণ। ভিজিয়ে খোসা ছাড়িয়ে বা কাঁচা চিবিয়েও খাওয়া যায় আমন্ড।