নিজস্ব প্রতিনিধি : আমরা ছোট থেকে ছোট জমি ২২৬ মিডল রোডে ১০ ছটাক জমি কে বিল্ডিং প্ল্যানে ছাড় দিয়েছি । ৩ কাঠা জমিতে বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন দিচ্ছি। কিছু না দেখে আমরা প্ল্যান দিচ্ছি। কেউ বেআইনি বাড়ি নির্মাণ করবেন না। যদি কিছু বেআইনি হয় তাহলে আপনি বিপদে পড়বেন। ১৫ দিনের মধ্যে যদি প্ল্যান না পেলে আমার কাছে সরাসরি যোগাযোগ করবেন। শুক্রবার কলকাতা পুরসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম(Mayor Firhad Hakim)।আমরা মেয়র পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছি। বিল্ডিং রুলস আমরা আমেন্ডেমেন্ট করার জন্য পাঠিয়েছি। সেটা এসে গেলে আমরা চূড়ান্ত করে দেব। আবেদনে উল্লেখিত জায়গার পরিমাণের উপরে নির্ভর করা হবে। তার পরে যদি বেআইনি নির্মাণ করে তবে ভেঙে দেওয়া হবে। মেয়র আরো বলেন, কাশি মিত্র ঘাট শ্মশানের রক্ষনাবেক্ষণের কাজের জন্য সময় লাগবে। কিছু কাজ আছে যার জন্য সময় লাগবে। আমারা একটা আইন আনার চেষ্টা করছি। যত্রতত্র পানের পিক ফেলে দিচ্ছে, শৌচ করে দিচ্ছে। বাইরে যত্রতত্র ময়লা ফেলা দেওয়া হচ্ছে। আইন ছিল এটা আমাদের ইমপ্লিমেন্ট করতে হবে। যদি গাড়ি থেকে কেউ পিক ফেলল সেই গাড়ি কে ফাইন করা হবে। তার জন্য আইন আনতে হবে।
একটা বাড়িতে একটা বেআইনি অংশ করা হয়েছে। মিউনিসিপাল কমিশনারের নেতৃত্বে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। তদন্ত করে যদি কেউ দুর্নীতি করলে তার দায় সেই কর্মীকে নিতে হবে। যদি সেই ব্যক্তি অবসর গ্রহণ করে তার পেনশন বন্ধ করে দিতে হবে বলে জানান মেয়র ফিরহাদ হাকিম।কলকাতা পুরসভার বেশ কেউ একটি আইনি জটিলতা ফেঁসে যাচ্ছে। অকারণে কেস হচ্ছে তার জন্য কলকাতা পৌর সংস্থার সেই কেস হেরে যাচ্ছে। সামাজিক ন্যায় দেওয়ার আমাদের কর্তব্য। যদি মনে হয় যে এই মামলা টা অন্যায়। সেটা দেখে মামলা তৃণমূলের সঙ্গে বিরোধিতা করার ধর্ম হতে পারে। কিন্তু যদি আপনারা বাংলার বিরোধিতা করছেন। তাহলে রাজ্যের বিরোধিতা করছেন। দেওচা পাঁচামির বিরোধিতা করা মানে বাংলা উন্নতির বিরোধিতা করা। মুখ্যমন্ত্রী যে ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন সেটা একটা রেকর্ড।কল্যানী বাজি কারখানা নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন এটা আমার জানা না। এটা লাইসেন্স আছে কি না। যদি না থাকে তাহলে অন্যায় হয়েছে। অনেক সবুজ বাজি আমরা দেখছি।
বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের(Muzibar Rahaman) বাড়ি ভাঙা নিয়ে তিনি বাঙালি হিসাবে আমার সবাই ব্যথিত। একসময় কালচারাল হাব ছিল, এখন ক্রিমানাল হাব হয়েছে বাংলাদেশ। ইন্দিরা গান্ধি মানবিকতার স্বার্থে বাংলাদেশে পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। আজকে ইউনুস(Yunush) সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। আমি শিল্পী আমার বাঁচার অধিকার নেই আমি হিন্দু আমার অধিকার নেই। যেমন যোগী রাজ্য হচ্ছে ।কুম্ভেতে গিয়ে লোক মারা যাচ্ছে। বাংলাদেশ তালিবানি রাজ হয়েছে গেছে। তার আঁচ আমাদের রাজ্য এসে পড়ছে।আমরা ও এই বিষয়ে প্রভাবিত হয়ে যাচ্ছি।করতে হবে। কেস হারা মানে আমারা একটা থাপ্পর খেয়ে যাচ্ছি। কেস হারাচ্ছিকেউ নেগেটিভ কথা বলছে না। আমাদের দল ডিসিপ্লিন দল। নির্বাচন এলে ২৬০ টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসবে।অত্যন্ত নিন্দনীয় ভারত বর্ষের প্রধানমন্ত্রী তিনি কোনো জাতির নয়, কোনো ধর্মের নয়। তিনি ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী । আমি ধর্মের নিয়ে বলার জন্য আপনারা আমার বিরুদ্ধে বলেছিলেন। এখন প্রধানমন্ত্রী হিন্দু – মুসলমান করেছেন। সেটা নিয়ে আপনারা বলবেন না। বললেই লিংক কেটে যাবে।১ লক্ষ টাকা কত মানুষ পায়। দরকার ছিল মানুষের কর্মসংস্থান বাড়ানো। কিন্তু আপনি কর্পোরেটকে বাড়িয়ে দিয়েছেন যার ফলে টাকার মুদ্রাস্ফীতি আরো তলানিতে ঠেকেছে বলেন মেয়র।