নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ‘ছোলে- পুরি’ দেখেই চটে লাল হয়ে গেলেন বিরাট কোহলি। কারণ , ফিটনেসের জন্য হাই ক্যালারি যুক্ত খাবার একদমই পচ্ছন্দ করেন না ভারতের এই ক্রিকেট তারকা । সামনেই রয়েছে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ। প্রায় ১২ বছর পর রঞ্জি ট্রফিতে খেলবেন বিরাট। তাই মঙ্গলবার সকালে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লির অনুশীলনে যোগ দিলেন তিনি ।
প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে মাঠে অনুশীলন করেন বিরাট কোহলি । এরপর দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা দুপুরে খাবারে তাঁর জন্য আনিয়ে রেখেছিলেন ছোলে-পুরি। আর সেই খাবার দেখেই রেগে যান বিরাট। ছোলে-পুরি না খেয়ে বিরাট দিল্লির বাকি সতীর্থদের সঙ্গে খাড়ি চাউল খেয়েছেন। যা উত্তর ভারতের জনপ্রিয় খাবার।
DDCA-এর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ও একটুও বদলায়নি। ও ছোলে পুরী খেতে ভালবাসত। তাই আমরা সেটার ব্যবস্থা করে রেখেছিলাম। তবে ও ছোলে পুরী খেতে চায়নি।‘ বলা বাহুল্য, ক্রিকেট দুনিয়ায় বিরাটের ফিটনেস চর্চার বিষয়। বহু দিন হল আমিষ খাওয়া ছেড়েছেন তিনি। তাই প্রোটিন, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট যুক্ত নিরামিষ খাবারেই এখন ভরসা কোহলির। তাই ছোলে- পুরি’ মত হাই ক্যালারি যুক্ত খাবার এখন তিনি এড়িয়ে চলেন ।
উল্লেখ্য ২০০৬-০৭ সালে দিল্লি রঞ্জি দলের ম্যানেজার অজিত চৌধুরী বিরাট কোহলির নাম চিকু রেখেছিলেন। সেই থেকেই এটা তাঁর ডাকনাম হয়ে যায়। দীর্ঘ ১২ বছর পর ঘরের মাঠে প্রত্যাবর্তন হয় পুরোনো চিকুর। তাই তাঁকে ঘিরে উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে । দিল্লি দলের ১৮ জন সদস্যের মধ্যে একমাত্র নবদীপ সাইনি ছাড়া বাকিরা বিরাটকে শুধুমাত্র টিভির পর্দায় দেখেছে। তাই গোটা দল এদিন তাঁকে ঘিরে ছিল। কিং কোহলির প্রত্যেক মুভে সবার নজর ছিল।