নিজস্ব প্রতিনিধি: মেলবোর্নে অজি বোলারদের সামনে প্রতিরোধের দেওয়াল গড়ে তুললেন তরুণ ব্যাটার নীতীশ কুমার রেড্ডি। আগুন ঝরানো ব্যাটিংয়ে আন্তর্জাতিক টেস্টে জীবনের প্রথম শতরান পেয়ে গেলেন ভারতের তরুণ ব্যাটার। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে হাফভলিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন অর্ধশতরানে। আর স্কট বোলান্ডের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়েই টেস্ট কেরিয়ারে জীবনের প্রথম শতরান তুলে নিলেন তরুণ ব্যাটার।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) মেলবোর্নে তৃতীয় দিনে ঋষভ পন্থ আউট হওয়ার পরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন নীতীশ। ভারতের রান তখন ৬ উইকেটে ১৯১। ফলো অনের লজ্জা এড়াতে আরও ৮৩ রানের প্রয়োজন ছিল। আদৌ ফলো অনের লজ্জা এড়ানো যাবে কিনা, তা নিয়ে নানা মুনির মতো নানা মত দিয়ে চলছিলেন ধারাভাষ্যকাররা। কিন্তু ক্রিজে এসে মাথা ঠাণ্ডা রেখেই ব্যাট করতে সুরু করেন নীতীশ। সপ্তম উইকেটে রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে জুটি বেঁধে ৩০ রান যোগ করেন। জাদেজা আউট হওয়ার পরে অজি বোলারদের সামলানোর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন তরুণ ব্যাটার। ওয়াশিংটন সুন্দরকে সঙ্গে নিয়ে ফলো অনের লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়ে দেন দলকে। মধ্যাহ্ন বিরতির সময়ে ৪০ রানে ক্রিজে ছিলেন নীতীশ। এর পরই দ্বিতীয় নতুন বল নেয় অজি শিবির। নতুন বল কেমন সামাল দেন দুই ব্যাটার, সেদিকে নজর ছিল সবার। পরিণত ব্যাটিং করে অর্ধ শতরানে পৌঁছন নীতীশ।
উল্টোদিকে থাকা ওয়াশিংটন সুন্দরও ধীর-স্থিরভাবে ব্যাটিং করেন। দুজনে মিলে ১২৭ রান যোগ করে দলকে স্বস্তিতে পৌঁছে দিয়েছিলেন। ভাল খেলতে খেলতেই নাথান লায়নের বলে সাজঘরে ফেরেন সুন্দর (৫০)। খানিক বাদে প্যাট কামিন্সের বলে শূন্য রানে আউট হয়ে যান যশপ্রীত বুমরাও। তখন ৯৯ রানে অপরাজিত নীতীশ। স্ট্রাইক এন্ডে এসে দাঁড়ান মহম্মদ সিরাজ। তখনও কামিন্সের তিন বল বাকি ছিল। ফলে নীতীশ টেস্ট কেরিয়ারে প্রথম শতরান পাবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন অনেকেই। অজি অধিনায়কের তিন বল সামাল দেন সিরাজ। পরের ওভারে স্কট বোলান্ডের মুখোমুখি হন নীতীশ। প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে টেস্ট কেরিয়ারে প্রথম শতরানে পৌঁছে যান তরুণ ব্যাটার।