নিজস্ব প্রতিনিধি : কন্সটাসকে বিরাট ধাক্কা দেওয়ায় দ্রুত শাস্তির ঘোষণা করলেন ম্যাচ রেফারি ও কমিশনার। আম্পায়ারের সঙ্গে আলোচনা করে বিরাটের শাস্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শাস্তিস্বরূপ বিরাটকে আর্থিক জরিমানা ও ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ২.১২ নম্বর ধারা ভেঙেছেন বিরাট। যেখানে বলা আছে কোনও প্লেয়ার অপরকে লশারীরিকভাবে স্পর্শ করতে পারবেন না। কারণ ক্রিকেট বডি কন্ট্যাক্ট গেম নয়। ফিল্ডিং করতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে লেগে যাওয়া সেটা আলাদা বিষয়, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দিলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
‘স্যাম কনস্টাস’ মেলবোর্ন টেস্টে সবচেয়ে চর্চিত ১৯ বছরের যুবকের নাম। প্রথমে ব্যাট হাতে বুমরাহকে ‘শাসন’, পরে আবার বিরাট কোহলির সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি।জোড়া ঘটনা জীবনের প্রথম টেস্টেই শিরোনামে এনে দিয়েছে এই ব্যাটারকে।বিরাটের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখছেন কনস্টাস। তিনি সাফ বলে দিচ্ছেন, যে ধাক্কা নিয়ে এত চর্চা হচ্ছে, সেটা সম্ভবত ঘটেছে দুর্ঘটনাবশত। তবে তা সত্ত্বেও বিরাটকে শাস্তির মুখে পড়তে হল বিরাটকে। শাস্তি দিলেন ম্যাচ কমিশনার।
ঘটনাটি ঘটেছে ১০ ওভারের পর। মহম্মদ সিরাজ সেই ওভার শেষ করার পর দিক পরিবর্তন করার জন্য হেঁটে আসছিলেন কোহলি। উল্টো দিক থেকে আসছিলেন কনস্টাসও। দু’জনের কাঁধে ধাক্কাধাক্কি হয়। কনস্টাসের বিষয়টি পছন্দ হয়নি। তিনি কোহলিকে কিছু একটা বলেন। পাল্টা কোহলিও রক্তচক্ষু দেখিয়ে কনস্টাসকে উত্তর দেন।এই ঘটনা ঘিরে উত্তাল ক্রিকেট দুনিয়া। বার বার সেই ঘটনার রিপ্লে দেখাতে থাকে সম্প্রচারকারীরা। সেখানে দেখা গিয়েছে, কনস্টাস মাথা নিচু করে ব্যাট হাতে যাচ্ছিলেন। কোহলিই যাওয়ার পরে দিক পরিবর্তন করে কনস্টাসের কাছে গিয়ে তাঁকে গিয়ে ধাক্কা মারেন। যা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন খোদ কনস্টাস।
এই প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে কনস্টাস বলে ওঠেন, ‘মনে হয় আমরা দু’জনেই তখন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। আমি ঠিক বুঝতে পারিনি ঘটনা কি হচ্ছে। নিজের গ্লাভস ঠিক করছিলাম। তার পরেই কাঁধে ধাক্কা খেলাম। তবে এ রকম হতেই পারে। এটাই ক্রিকেট। মাঠের লড়াই মাঠেই থাকুক।’