নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গত বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের রেগিং-এর অভিযোগ সামনে এসেছিল। বছর ঘুরতেই সেই যাদবপুরের হোস্টেলে ফের প্রাক্তনীদের তাণ্ডব এবার উঠে এল খবরের শিরোনামে। পড়ুয়াদের দাবি, ওই মাদকাসক্তকে অবিলম্বে হোস্টেল থেকে বের করে দিতে হবে। অথচ পরপর দু’দিন তাঁকে সরাতে উদ্যোগী হলেও লাভ হয়নি। তিনি কখনও হোস্টেলের ছাদে চিলেকোঠার ঘরে লুকিয়ে পড়ছেন বা কোথাও পালিয়ে যাচ্ছেন। তাই সমস্যার সমাধানও হচ্ছে না কোন মতেই।
মেন হোস্টেলের বি ব্লকের পড়ুয়াদের অভিযোগ, বহুদিন ধরেই সেখানে থাকেন ওই ড্রাগ অ্যাডিক্ট প্রাক্তনী। অনেককাল আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতেন তিনি। কিন্তু এক দশক হলো পড়াশোনার সঙ্গে তাঁর কোন যোগাযোগ নেই। তবুও তিনি হোস্টেলেই থেকে গিয়েছেন। প্রতিদিনই মদ–মাদক খেয়ে তিনি হোস্টেলে তাণ্ডব চালান বলে অভিযোগ। কেউ কিছু বলতে গেলেই দৌড়ে চিলেকোঠার ঘরে ঢুকে পড়েন। সূত্র মারফত খবর, গত শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অফ স্টুডেন্টস হোস্টেলে গিয়ে ওই মাদকাসক্তকে বোঝান। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন। ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিগত বছরের আগস্ট মাসে নদীয়া থেকে আগত এক পড়ুয়ার যাদবপুরের মেন হোস্টেলে মৃত্যুর খবর সামনে এসেছিল। আর এই মৃত্যুর জন্য প্রাক্তনীদের রেগিং-র অভিযোগই মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। তবে পরবর্তীতে মেন হোস্টেলে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে প্রাক্তনীদের দৌরাত্ম নিয়ন্ত্রন করার আশ্বাস দিয়েছিলেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই আশ্বাসে যে কাজের কাজ কিছুই হয়নি তা পড়ুয়াদের অভিযোগই প্রমাণ করে দিল।