নিজস্ব প্রতিনিধি : ভোলানাথ যেমন অল্পেই খুশি হন তেমনই মহাকালের রোষে একবার পড়লে আর রক্ষা নেই…। সোমবার মহাদেবের পুজো করার আগে কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখা জরুরী।ভুলেও কিছু জিনিস মহাদেবকে নিবেদন করবেন না।এই নিষিদ্ধ জিনিসগুলি নিবেদন করলে অত্যন্ত রুষ্ট হোন মহাদেব।জেনে নিন কোন ৫ জিনিসে রুষ্ট হন মহাদেব।
হলুদ : ভগবান শিব হল পুরুষত্বের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতীক। তাই মহিলাদের স্পর্শ করা এমন দ্রব্য নিবেদন করা উচিত নয়। যেমন দেবী গৌরীর পুজোয় হলুদ ব্যবহার করা যায়, তাই বিবাহিত মহিলারা মুখে, পায়ে এবং হাতে হলুদ প্রয়োগ করেন।কিন্তু মহেশ্বরেরকে হলুদ নিবেদন করা উচিত নয়।
তুলসী : তুলসী হল ভগবান বিষ্ণুর সহধর্মিণী।একবার তুলসী রূপে জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। এদিকে মহাদেব যুদ্ধে কিছুতেই হারাতে পারছিলেন না জলন্ধরকে। বর ছিল যতদিন জলন্ধরের স্ত্রী তুলসী শুদ্ধ থাকবেন, কেউ জলন্ধরকে হারাতে পারবে না।তাই শর্ত ভাঙতে ভগবান বিষ্ণু তুলসীর পবিত্রতা ভঙ্গ করেন।অবশেষে তুলসী সত্যিটা জানতে পেরে রাগে-অপমানে ভগবান শিবকে চিরকালের জন্য পরিত্যাগ করেন। তাই শিব পূজোয় তুলসী ব্যবহার করতে নেই।
ভাঙা চাল : ভাঙা চাল হল যে কোনও পুজোর জন্য অশুভ। তাই শিবলিঙ্গে অক্ষত বা পুরো ধানের দানা অর্পণ করুন কারণ এতে ভগবান খুশি হবেন।
সিঁদুর : সাধারণত চন্দনের পেস্ট দিয়ে তিলক ও গোটা শিবলিঙ্গে প্রলেপ দেওয়া হয়। সিঁদুর ব্যবহার করলে অত্যন্ত রুষ্ট হোন মহেশ্বর।
শঙ্খ : শঙ্খ থেকে জল নিবেদন করে ভগবান শিব শঙ্খচূড় নামক একটি শঙ্খ আকৃতির রাক্ষসকে বধ করেছিলেন।তাই পবিত্র জল সাধারণত শঙ্খের মাধ্যমে অন্য দেবতাদের নিবেদন করা হলেও তা আসলে শিবকে দেওয়া হয় না।