নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘বিয়ের পরেই তো প্রেমটা মাখোমাখো হয়…’ পরাণ যায় জ্বলিয়া রে ছবিতে শুভশ্রীর বলা এই ডায়লগ সিনেমার পর্দায় পরকীয়াকে প্রশয় দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু বাস্তবের মাটিতে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কের কারণে করুণ পরিণতির শিকার হলেন পূর্ব বর্ধমানের(East Barddhaman Incident) এক গৃহবধূ। বিয়ের পরেও বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কে(Extra Marital Affair) জড়িয়ে পড়েন তিনি, এরপরই তাঁর জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়।
আরও পড়ুনঃ ফের দুর্ঘটনা মা উড়ালপুলে, ব্যস্ত দিনে ব্যাহত যান চলাচল
ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ এলাকায়। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গৃহবধূ ঘণ্ডঘোষের বাসিন্দা। বছর দুই আগে তাঁর আলাপ হয় আশরাফুলের সঙ্গে। উভয়ের মধ্যে তৈরি হয় প্রেমের সম্পর্ক। বিবাহিত ওই মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি(Marriage Proposal) দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ(Rape) করেন অভিযুক্ত আশরাফুল। এখানেই শেষ নয়। নির্যাতিতা মহিলাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁর থেকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং তিন ভরি সোনার গয়না হাতিয়ে নেন আশরাফুল।
আরও পড়ুনঃ বাজি কিনে ফেরার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, মৃত্যু বাইক চালকের
নির্যাতিতা মহিলা নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, আশরাফুলের বিয়ের প্রতিশ্রুতি পেয়ে তিনি শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে এসে উঠেছিলেন। গত ২১শে অক্টোবর মহিলার বাপের বাড়িতে যান আশরাফুল। উভয়ের মধ্যে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য শুরু হলে মহিলাকে মারধর করা শুরু করেন আশরাফুল। এমনকি মহিলাকে গলা টিপে মেরে ফেলার চেষ্টাও করেন অভিযুক্ত যুবক। মহিলার চিৎকার শুনে বাপের বাড়ির লোক ছুটে এলে সেখান থেকে চম্পট দেয় আশরাফুল। তবে যাওয়ার সময় মহিলাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে যায় অভিযুক্ত। ঘটনার পরই খণ্ডঘোষ থানার দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা মহিলা। পুলিশি তৎপরতায় মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই খুঁজে বের করা হয়েছে আশরাফুল লায়েক ওরফে সাদ্দামকে। আগামী ১২ই নভেম্বর পর্যন্ত অভিযুক্তকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে অভিযোগকারী মহিলার গোপন জবানবন্দি নথিভুক্ত করার কাজ ইতিমধ্যেই শেষ করেছে পুলিশ।