Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘নেতা একজনই – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমরা কর্মী’, দলকে বার্তা অনুব্রতের

আমরা কেউ নেতা নই। নেতা একজনই – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা সবাই দলের কর্মী - মুরারুই থেকে দলকে বার্তা অনুব্রত মণ্ডলের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিন বছরের বন্দি দশা। তারপরেও তাঁকেই দলের জেলা সভাপতি করে রেখে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তাঁর জায়গায় কাউকে আসতে দেননি, বসতেও দেননি। দল চালাবার জন্য গড়ে দিয়েছিলেন একটা কোর কমিটি। কিন্তু তাঁর জেল বন্দী দশা ঘুচতেই সেই কোর কমিটিও বিলুপ্ত হয়েছে। তিনিই যে জেলায়(Birbhum) দলের ফের শেষ কথা হয়ে উঠতে চলেছেন সেটা বোলপুরে ফিরে দলের কার্যালয়ে হাজিরা দিয়েই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। আর এদিন তিনি প্রকাশ্যে দলের(TMC) বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে বুঝিয়ে দিলেন, কিছুই বদলে যায়নি। সবাই মিলে কাজ করতে হবে ঠিকই, কিন্তু প্রয়োজনে চড়াম চড়াম ঢাক আবারও বাজবে। তিনি অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mondol), থুড়ি দিদির কেষ্ট। এদিন অনুব্রত মুরারইতে দলের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং সেখান থেকেই বার্তা দেন। তবে লক্ষ্যণীয় ভাবে সেই সভায় হাজির ছিলেন না কাজল শেখ।

আরও পড়ুন, শুভেন্দুকে ধাক্কা দিয়েই এগরার পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থা আনছে তৃণমূল

অনুব্রতের অনুপস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমে দল চালাবার জন্য যে কোর কমিটি গড়ে দিয়েছিলেন সেখানে প্রথমে কাজল শেখ(Kajal Sheikh) তেমন গুরুত্ব না পেলেও পরে জেলার একাংশে সংগঠনের ভার তাঁর ওপর দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে একটি সমান্তরাল গোষ্ঠীরও জন্ম হয়। বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতিও হয়ে যান কাজল। কিন্তু এদিন অনুব্রত বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি কাজলকে নিয়ে চলতে পারবেন। এমনকি দলের যে মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে গিয়ে দেখা করতে চেয়েও দেখা করতে পারেননি, সেই চন্দ্রনাথ সিনহাকেও নিয়ে তিনি চলতে পারবেন। এদিন অনুব্রত তাঁর বক্তব্যে জানিয়ে দেন, ‘সকলকে বিজয়ার শুভেচ্ছা। বড়দের প্রণাম আর ছোটদের স্নেহ, ভালোবাসা। আমি সকলকে বলতে চাই, কেউ কারও সঙ্গে ঝগড়া করবেন না। কী হবে ঝগড়া করে? কার জন্যই বা করবেন? আমার জন্য করবেন? কোনও দরকার নেই। সবাই মিলেমিশে থাকলে ভালো হবে সব। কে বড়, কে ছোট সেটা শুনতে চাই না। আমরা কেউ নেতা নই। নেতা একজনই – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা সবাই দলের কর্মী। আগামী দিনে আমরা সবাই দলের কর্মী হয়েই লড়বো।’

আরও পড়ুন, কলকাতার Bike-Taxi’র ক্ষেত্রে লাগু হচ্ছে বেশ কিছু নয়া নিয়ম

এর পাশাপাশি তিনি জানান, ‘জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্প আছে। উন্নয়ন চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। আমি আপনাদের মতোই একজন কর্মী। বুথ কর্মীরাই দল বাঁচিয়ে রেখেছেন। আমি নেতা নই। আমার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও হানাহানি করবেন না। মারামারি করবেন না। কাছে টেনে নিন। দল আরও বড় হবে। কার জন্য ঝগড়া করবেন? আমার জন্য, মন্ত্রীর জন্য ঝগড়া করতে হবে না। আমরা সবাই কর্মী হয়ে যাই। নেতা হব না। আমাদের একজন নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা কর্মী থেকে মানুষের পাশে থাকব। কাজল শেখ এসেছে? আসতে পারেনি। সবাই মিলে আবার আসব। সব কষ্ট দু:খ কষ্ট মিলিয়ে দল করব।’ উল্লেখ্য, এদিনের অনুষ্ঠানে জেলা থেকে নির্বাচিত দলের ১০জন বিধায়কই হাজির ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই অনুব্রত মণ্ডলকে মঞ্চে বিশাল মালা দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সব শেষগে কেষ্ট জানিয়ে দেন, ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কাঁটা উপড়ে ফেলে একসঙ্গে সকলকে লড়াই করতে হবে। কোনও দ্বন্দ্বে জড়ানো নয়, সকলে মিলেমিশে কর্মী হয়ে লড়াই করতে হবে। মা-বোনেদের বলবো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুহাত ভরে ভোট দিন।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00