নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আপনি কি পুজোতে সিকিমের সিল্করুট যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন ? কিন্তু বাজেট কম সঙ্গে হাতে নেই বেশি ছুটিও ! তাহলে সিল্করুটের সৌন্দর্য পেতে পারেন আমাদের পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডেই। বর্তমানে মহেন্দ্র সিং ধোনির শহর নামে পরিচিত রাঁচি থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরেই রয়েছে পত্রাতু ভ্যালি।
শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে সবুজ ঘেরা জঙ্গল ও পাহাড়ের চড়াই ধরে উঠতে শুরু করলে চোখে পড়বে প্রকৃতির অসাধারণ সৌন্দর্য। বিশেষ করে ঘন সবুজে ঘেরা পাহাড়ে বৃষ্টিতে আরও সুন্দর হয়ে ওঠে। শুধু বর্ষাতেই নয় শীতের আমেজে ঘন কুয়াশার মাঝে পাহাড়ি পথ বেয়ে উপরে উঠে ভিউ পয়েন্ট থেকে সর্পিল পথের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। তার কিছুই দূরে গেলেই দেখতে পাবেন সুন্দর জলাধার। সেখানে পরিবার বা বন্ধুরা মিলে স্পিড বোট করে টাপু নামের ছোটো দ্বীপ থেকে সফর করে আসতে পারবেন। বিশ্রামের জন্য ওই জলাধারের পাশেই পেয়ে যাবেন হোটেল, রেস্তরাঁর।
পত্রাতু ভ্যালির আশেপাশে কী কী দেখতে পাবেন ?
ভ্যালি থেকে ৯ কিমি দূরে মেঠো পথ ধরে চলে গেলেই দেখতে পাবেন জলপ্রপাত। যার সৌন্দর্য বর্ষাকালে দ্বিগুন বে়ড়ে যায়। তার কিছু দূরে মোতাবাড়িতে দেখতে পাবেন টেগোর হিল নামে এক অনুচ্চ পাহাড় । যেখানে সবাই সূর্যাস্ত দেখতে আসেন। জানা যায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্রামস্থল ছিল ওটা। তাঁর নামেই এলাকার নামকরণ হয়েছিল। এখানে রয়েছে লোহার সেতু ঝোলানো রকগার্ডেন। এছাড়া গোন্ডা পাহাড়ের পাদদেশে দেখা মিলবে কাঁকে জলাধার।
কীভাবে যাবেন ?
প্রথমে কলকাতা থেকে ১৬ এবং ১৮ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে রাঁচি পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে আরও ঘণ্টাখানেক লাগবে গাড়ি করে গেলেই পৌঁছে যাবে পত্রাতু ভ্যালি। কলকাতা থেকে একটানা ১০-১২ ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে পৌঁছে যেতে পারেন পত্রাতু। যার দূরত্ব ৪২১ কিমি।
কোথায় থাকবেন ?
পত্রাতু জলাধারের পাশে থাকার জায়গা হিসেবে রয়েছে ঝাড়খণ্ড পর্যটন দফতরের পত্রায়ন বিহার ও সরোবর বিহার ।