নিজস্ব প্রতিনিধি : একটানা সাত ম্যাচ জিতে চোখে সর্ষে ফুল দেখছিল হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনা। তবে বিজয় রথের চাকা গেল থেমে। বার্সেলোনা রথের চাকা মাটিতে আটকালো ওসাসুনা। ৮ ম্যাচে জয়ের মুকুটে হয়তো নাম লেখা ছিল না বার্সার। ওসাসুনার বিপক্ষে ৪-২ গোলে হেরেই গেল বার্সা।
ফ্লিক ভেবেছিল এইবারের ম্যাচটাও হাতের মুঠোয় আনবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জার্মান এই কোচের আশায় জল ঢেলে দিল ওসাসুনা। বার্সার কোচ থাকার সময়ে মার্টিনো টানা আট ম্যাচ জিতেছিলেন। ফ্লিকও সেই দিকেই এগোচ্ছিলেন। কিন্তু অবশেষে ৪-২ গোলে হার মানল বার্সেলোনা।
হানসি ফ্লিক ওসাসুনার বিরুদ্ধে লামিন ইয়ামালকে ডাগ আউটে রেখে দল সাজান। রাফিনিয়াকেও প্রথম একাদশে রাখা হয়নি। বার্সা অবশ্য প্রথম থেকেই বল নিজেদের দখলে রাখে। বার্সা সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে না পারলেও ওসাসুনাও তাঁদের সুযোগ কাজে লাগায়।২৮ মিনিটেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ওসাসুনা। ৫৩ মিনিটে বার্সার হয়ে ব্যবধান কমান পাও ভিক্টর। ৭২ মিনিটে ওসাসুনা এগিয়ে যায় ৩-১ গোলে।
এর ১৩ মিনিট পরে ফের গোল করে বার্সাক হারের টিকিট ধরিয়ে দিল ওসাসুনা। শেষের দিকে অবশ্য পরিবর্ত হিসেবে নেমেছিলেন ইয়ামাল। তিনি গোল করলেও ম্যাচ জিততে পারেনি বার্সেলোনা।ম্যাচ হারলেও বার্সেলোনা লিগ টেবলের শীর্ষেই রয়েছে। ৮ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২১।
তবে হারের দায় স্বীকার করেছে ফ্লিক। ম্যাচ শেষে হারের দায় নিজের কাঁধে নিয়ে ফ্লিক জানিয়েছে, ‘প্রথমার্ধে আমরা অনেক ভুল করেছি। আমাদের এভাবে খেলাটা স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল না। আমরা দলে অনেক পরিবর্তন এনেছি, সম্ভবত এটাও একটা কারণ হতে পারে।’
এরপর দলে পরিবর্তন আনার কারণও ব্যাখ্যা করেন ফ্লিক। এই নিয়ে তিনি জানান, ‘আমার মনে হয়, এটা জরুরি ছিল। আমাদের অনেক ম্যাচ ছিল, অনেক খেলোয়াড়কে প্রচুর মিনিট মাঠে থাকতে হয়েছে। এই বিষয়টা আমাকে খেয়াল রাখতে হবে। এটা আমার দায়িত্ব। আপনি এই হারের জন্য যদি কাউকে দায় দিতে চান, তবে আমাকে দিতে পারেন।’