নিজস্ব প্রতিনিধি: গত কয়েকদিন ধরেই বাজারে সবজির দাম বাড়ছে((Vegetables Price Hike)। হাত ছোঁয়ালেই বোঝা যাচ্ছে, পকেটে ঠিক কতটা টান পড়ছে। চাল-ডালের দামও যে খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আছে, তা নয়। কলকাতার(Kolkata) বাজারে সবজির যা দাম, তাতে রান্না করাই দায়। ক্রেতারা বাজারের ব্যাগ ভর্তি করতে পারছেন না। এই অবস্থায় এদিন শহর কলকাতার আমজনতা(Common People) তাকিয়ে আছেন নবান্ন(Nabanna) পানে। কেননা এদিন বিকালে সেখানেই বসতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) মূলবৃদ্ধি সম্পর্কিত বৈঠক। সেই বৈঠকে থাকবে কলকাতার সব বাজার কমিটি। মূল্যবৃদ্ধি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে এদিন তা নিয়েই বাজার কমিটির সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। আমজনতা অবশ্য জানতে চাইছেন, আজকের বৈঠকের পরে কী দাম কমবে!
এদিন শহর কলকাতার বাজারে বাজারে জ্যোতি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি দরে। চন্দ্রমুখী আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। কাঁচা লঙ্কা কিনতে হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। টমেটোর দাম উঠেছে ৮০ টাকা কেজি। ঢেঁড়শ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। এর বাইরে রসুন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি দরে। আদা বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে। মুরগীর মাংসের দাম ১৮০ টাকা থেকে অনেকটাই বেড়ে হয়েছে ২৬০ টাকা। মাছের দাম ও বেশ কিছুটা বেড়েছে।
জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বাজারে বাজারে রাজ্য কৃষি বিপণন দফতরের আধিকারিকেরা নজর রাখছেন কেউ জিনিসপত্রের অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন কিনা। কিন্তু তাতে খুব একটা কাজ দিচ্ছে না। আর তাই এদিন সরাসরি বাজার কমিটিগুলিকেই বৈঠকে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের কৃষি বিপণন দফতরের আধিকারিকদের অভিমত, বাজারে শাকসবজির থেকেও তাঁদের এখন সব থেকে বড় মাথা-ব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে আলু-পেঁয়াজের দাম। দেখার বিষয় এদিনের বৈঠকের পরে বাজারে দাম কিছুটা কমে নাকি একই থাকে।