নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বন্ধুদের সাথে চলছিল ফুটবল খেলা। এরপরই বল গিয়ে পড়ে খালে। সেই বলই তুলতে যাওয়ার দায়িত্ব পড়ে মধ্যমগ্রামে যুবক ঋষভ কুণ্ডুর কাঁধে। কেই বা জানত, সেই বল তুলতে যাওয়াই কাল হবে! বল তুলতে গিয়ে আচমকায় খালে তলিয়ে যায় ওই যুবক। সকলের নজরে আসতেই খবর দেওয়া হয় থানায়। খবর দেওয়ার দীর্ঘক্ষন পড়ে আসে উদ্ধারকারী বাহিনী। সারা রাত তল্লাশি চালিয়েও মেলেনি যুবকের খোঁজ। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মধ্যমগ্রামের দিয়ারা এলাকার বাসিন্দা ঋষভ কুণ্ডু বৃহস্পতিবার বিকেলে এলাকায় ফুটবল খেলছিল। খেলতে খেলতে বল গিয়ে পড়ে খালে। তুলতে গিয়ে তলিয়ে যায় ওই যুবক। বিষয়টি নজরে পড়তেই জানানো হয় মধ্যমগ্রাম ও রাজারহাট থানায়। ওই এলাকা কোন থানার আওতায় তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে দুই থানার আধিকারিকরাই ঘটনাস্থলে যান। পরে পাঠানো হয় ডুবুরি দল। দীর্ঘ তল্লাশিতেও দেখা মেলেনি যুবকের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ জমতে থাকে যুবকের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত হদিশ মেলেনি ওই যুবকের।
ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুবকের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, এই এলাকা কোন থানার আওতাধীন, সেই নিয়ে দুই থানার মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। একটা মানুষ যে তলিয়ে গেছে, তাঁকে বাঁচানো দরকার। সেই নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবেন নি পুলিশ আধিকারিকরা। এর জেরে দীর্ঘক্ষণ সময় নষ্ট হয়। পরে এলাকাবাসীদের রোষের মুখে পড়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পাশাপাশি প্রথমে যে ডুবুরিদের নামানো হয়েছিল তাঁরা সঠিকভাবে কাজ করেনি বলেও অভিযোগ তুলছে পরিবার।