নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর : কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে স্কুলে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ জানিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন এক মহিলা। নবগ্রাম থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ জমা পরার পরে কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে নেমেছে নবগ্রাম থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, এক স্কুলে চাকরি দিয়ে মহিলার অসহায়তার সুযোগ নিয়েছিলেন কার্তিক মহারাজ। তাঁকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ। অভিযোগকারিণী বহরমপুরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২০১২ সালে মহিলাকে একটি স্কুলে চাকরি দেন তিনি। স্কুলেরই আবাসনের ৫ তলায় থাকতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে কার্তিক মহারাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়। এরপরেই মহিলা অন্তস্বত্তা হয়ে পড়েন। প্রায় ৬-৭ মাস মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কার্তিক মহারাজের। তারপর মহিলাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলার গর্ভপাতও করানো হয় বলেও অভিযোগ। বলা হয়, ঘটনার পর মাসে মাসে বেতন পৌঁছে যাবে বাড়িতে।
১২ বছর পর অবশেষে ঘটনা সামনে এনেছেন। তাঁর কথায়, অনেকেই এই ধরনের কথা প্রকাশ্যে বলতে পারেন না। ভয় পান। সম্মান নষ্ট হওয়ার আতঙ্ক থাকে। সাহস করে ১২ বছর পরে এই ঘটনা সামনে এনেছেন। অভিযুক্ত আরও অনেকের সঙ্গে এই ধরনের কাজ করতে পারেন বলে অভিযোগ। তাই তিনি বেলডাঙ্গা থানায় কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে শ্লীলতহানী এবং ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।
এখনও পর্যন্ত কার্তিক মহারাজের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাঁর অনুগামীরা এই গুরুতর অভিযোগের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। রাজনৈতিকভাবে তাঁকে অসম্মান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।