নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বুকে সংঘটিত হওয়া ট্যাব দুর্নীতি কাণ্ডে তদন্ত করছে পুলিশ। একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ট্যাব কেনার জন্য সরকার থেকে প্রাপ্ত টাকা ঢুকে যাচ্ছে অন্য অ্যাকাউন্টে। কিন্তু এটা ঘটছে কিভাবে? এই প্রশ্নেরই উওর এতকাল খুঁজে পাচ্ছিল না পুলিশ। তবে এবার সেই রহস্যে উন্মোচন করলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, মালদা জেলার ৩টি স্কুলে ট্যাব দুর্নীতিতে অভিযোগ উঠেছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল হরিশ্চন্দ্রপুরের কনুয়া ভবানীপুর হাই স্কুল। এই স্কুলের ৩৫ জন পড়ুয়ার ট্যাব কেনার টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যায়। এই মর্মে থানায় দায়ের হয় অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মোবারক হোসেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় একাধিক পেনড্রাইভ, ল্যাপটপ, মোবাইল। সরকারি পোর্টাল হ্যাক করে অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলে দেওয়া হতো। এ ভাবেই উধাও করা হতো ট্যাব কেনার টাকা, অভিযোগ এমনটাই।
মোবারককে জেরা করে শাহজাহানের নাম জানতে পারে পুলিশ। এই চক্রে তার দাদাও সমানভাবে জড়িত বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।কনুয়ার রানিকামাত থেকে গ্রেপ্তার করার পর শাহজাহানকে মঙ্গলবার চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলে পুলিশ। আদালত তাকে দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।হরিশচন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার জানান, শাহজাহানকে জেরা করে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন।
প্রসঙ্গত, তৃতীয়বারের মত ক্ষমতায় এসে রাজ্যের পড়ুয়াদের কথা চিন্তা করে ‘তরুণের স্বপ্ন’ নামে এক প্রকল্প শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমের রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের হাতে ট্যাব কেনার জন্য টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। আর সেই ট্যাব কেনার জন্য ১০ হাজার টাকাই ঢুকে যায় অন্য অ্যাকাউন্টে।