নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ : সংসার চালাতে কর্নাটকে (Karnataka) গিয়েছিলেন কাজ করতে। কিন্তু সেখানেই পথদুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল পরিযায়ী শ্রমিকের (Migrant Worker)। শনিবার সেই পরিযায়ী শ্রমিক বুলু শেখের (Bulu Sheikh) দেহ ফিরল ঘরে। মালদহের ইংলিশবাজারে তাঁর বাড়িতে কফিনবন্দি দেহ নিয়ে আসা হয়েছে। বুলু শেখের দেহ আসার পর শোকের ছায়া নেমেছে গোটা এলাকায়।
জানা গিয়েছে, চারমাস আগে কর্নাটকের হুবলিতে টাওয়ারের কাজ পেয়েছিলেন বুলু শেখ। গত মঙ্গলবার একটি পথদুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে তাঁর। অবশেষে ৩দিন পর তাঁর কফিনবন্দি দেহ ফিরল মালদহে। কর্নাটকের হুবলিতে (Hubli) টাওয়ারের কাজে গিয়ে চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার টাওয়ারের সরঞ্জাম গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন বুলু শেখ। সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে যায়। এরপরেই মৃত্যু হয়েছে মালদহের পরিযায়ী শ্রমিকের। ফোনে সেই খবর পেয়ে ভেঙে পড়ে পরিবারের সদস্যরা।
জানা গিয়েছে, বুলু শেখের পরিবারে রয়েছে তাঁর স্ত্রী খুশবাড়ি খাতুন ও ২ শিশুপুত্র। তাঁদের বয়স চার এবং আড়াই। পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বাড়িতে যান জেলা পরিষদের সদস্য জুয়েল রহমান সিদ্দিকী। তিনি ছোটো শিশুদুটি খরচের দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য সরকার সুরক্ষা যোজনা থেকে এই পরিবার যাতে সাহায্য পান সেদিকে কড়া নজরদারি রয়েছে।
শনিবার বুলু শেখের দেহ বাড়িতে ফিরলে ভেঙে পড়েছে স্ত্রী। তাঁকে শেষ দেখা দেখতে গ্রামের মানুষ ভিড় জমায়। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন বুলুই। তাঁর মৃত্যুর পরে চরম সমস্যায় পড়েছেন বুলু শেখের স্ত্রী।