Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘চিকিৎসকদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক, আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি’, বার্তা মমতার

হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরে বন্যা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিলেন কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়া চিকিৎসকদের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণবঙ্গের(South Bengal) বন্যা পরিস্থিতি(Flood Situation) খতিয়ে দেখতে বেড়িয়েও কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়া চিকিৎসকদের(Doctors on Strike) বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন হাওড়া জেলার(Howrah District) উদয়নারায়ণপুরে(Udaynarayanpur) বন্যা পরিদর্শনে। সেখানে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা শোনার পাশাপাশি প্লাবিত এলাকায় দাঁড়িয়ে জুনিয়র চিকিৎসকদের টানা কর্মবিরতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন তিনি। এদিন হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া মহকুমার মধ্যে থাকা উদয়নারায়ণপুর ও আমতার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। উদয়নারায়ণপুরের দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত প্লাবিত। বন্যা দুর্গতর সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ। ৬ হাজারের বেশি মানুষকে ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমতার ২ নম্বর ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত প্লাবিত। বৃহস্পতিবার সকালে উদয়নারায়ণপুরের প্লাবিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মমতা। তারপরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েই তিনি বার্তা দেন কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়া চিকিৎসকদের।

আরও পড়ুন, পশ্চিম মেদিনীপুরে জলবন্দি ৬৪ জন গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার

এদিন মমতা চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি জুনিয়র চিকিৎসকদের বলব, এই জল কমে গেলে সাপেরাও আশ্রয় নিয়েছে ডাঙায়। সাপের কামড়, ডায়রিয়া, জ্বর এগুলো তো হবেই। আমি নিজে ফোন করেছি। মুখ্যসচিবকে বলেছি কয়েকটা জায়গায় অবিলম্বে যাতে… মেডিকেল ক্যাম্প যে করব, এখনও পর্যন্ত কাজে তো যোগদান হয়নি। আমি তো আমার সাধ্যমতো করেছি। এর থেকে বেশি আমার কিছু বলার নেই। আমি আশা করি শুভবুদ্ধির উদয় হবে। কারণ বন্যায় মানুষ আক্রান্ত। মানুষের প্রাণ বাঁচানো এখন আমাদের সব থেকে বড় কাজ। ২টো খাদ্য তুলে দেওয়া বড় কাজ। এই সময়টা রাজনীতির সময় নয়। চিকিৎসকদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক, আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। প্রাণ বাঁচানোই এখন সবচেয়ে বড় কাজ। এটা রাজনীতি করার সময় নয়।’

আরও পড়ুন, ‘DVC-র জলে কেন বাংলা ডুববে, আমরা জানতে চাই, কৈফিয়ত চাই’, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব মমতা

উল্লেখ্য, কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গত ১২ আগস্ট থেকে কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। টানা ৪১ দিন ধরে চলছে সেই কর্মবিরতি। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট এবং পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত এই কর্মবিরতি তুলে নিয়ে কাজে যোগদান করতে চিকিৎসকদের জানিয়েছিল। কিন্তু তারপরেও কর্মবিরতিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকেরা। রাজ্য সরকারের তরফেও বার বার আন্দোলনরত চিকিৎসকদের কাজে ফেরার আর্জি জানানো হয়েছে। তবে নিজেদের পাঁচ দফা দাবিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা। একাধিকবার টালবাহানার পর গত সোমবার রাতে কালীঘাটের বাসভবনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। ওই রাতে ঘণ্টাদুয়েকের বৈঠকের পর জুনিয়র চিকিৎসকদের পাঁচ দফা দাবির প্রায় সিংহভাগই মেনে নেয় রাজ্য সরকার। বুধবার রাতে নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গেও বৈঠক করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তবে এখনও কাটেনি জটিলতা। কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা।  

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00