নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর : DYFI-এর পরবর্তী সম্পাদক, সভাপতির পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব এখনও অব্যাহত তিন জেলার সিপিএম লবিতে। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের জায়গায় দায়িত্বে কে, জারি লড়াই। সম্পাদক, সভাপতির পদে কাদের নেওয়া হবে, তা ঠিক করে নিয়েছে আলিমু্দ্দিন। কিন্তু লবির লড়াই থামার নাম নেই। পার্টির রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদে যাওয়ার জন্য DYFI-এর রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে সরে গিয়েছেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। এবার তার জায়গাতে বর্ধমান লবি থেকেই কাউকে বসানোর দাবি উঠেছে।
মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বর্ধমান লবির সদস্য। তাই তাঁর জায়গায় বর্ধমান থেকেই কাউকে বসানোর জন্য জোর করা হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় উঠে আসছে যুব সংগঠনের দায়িত্ব সামলানো একাধিক নেতা-নেত্রীর নাম।সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের ২০তম রাজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে বহরমপুরে। এইখান থেকে সাংগঠনিক পরিবর্তন হওয়ার কথা। সেখান থেকেই ঠিক হবে DYFI-র দায়িত্ব কার কাঁধে বর্তাবে।
মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের সরে যাওয়ায় তাঁর খালি জায়গায় কাকে বসানো হবে তাই নিয়ে শুরু হয়েছে লবির লড়াই। সব জায়গাতেই নিজস্ব লবি থাকে। এখানেও তাঁর অন্যথা নেই। মিনাক্ষীর জায়গায় বর্ধমান লবি থেকেই কাউকে বসানোর দাবি উঠেছে। বর্ধমানের যুবনেতা অয়নাংশু সরকারকে সম্পাদক করার দাবি উঠেছে। আবার DYFI-র বর্তমান রাজ্য সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি সাহাকে সম্পাদক পদে এনে অয়নাংশুকে সভাপতি করার কথাও শোনা গিয়েছে। কলকাতা জেলা সিপিএমের একাংশ চাইছে কলতান দাশগুপ্তকে যুব সংগঠনের রাজ্য সভাপতি বা সম্পাদক হিসেবে দেখতে। SFI-র নেত্রী দীপ্সিতা ধরের নামও শোনা গিয়েছে। কিন্তু তিনি যেহেতু বঙ্গ সিপিএমের কোনো পদে নেই, তাই তাঁকে ওই পদে বসানোতে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার অপূর্ব প্রামাণিক, উত্তর ২৪ পরগনার যুব সম্পাদক সপ্তর্ষি দেবের নামও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু শেষ হাসি কে হাসে সেটাই এখন দেখার।