Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ছুঁয়েছে প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা, মুখ্যসচিবের সতর্কতা

রাজ্যের অন্তত ৫টি দফতর ও কিছু সরকারি সংস্থার বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা। সেই আবহেই এল মুখ্যসচিবের বার্তা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কিছুদিন আগেই রাজ্যের সব সরকারি ভবনে(Government Buildings and Offices) বিদ্যুতের খরচ নিয়ন্ত্রণ(Power Consumption Control) করতে ১৬ দফা নির্দেশিকা পাঠানো নবান্ন থেকে। এবার রাজ্যের মুখ্যসচিব(Chief Secretary of West Bengal) ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা(B P Gopalika) নির্দেশিকা জারি করে প্রতিটি দফতরকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার পথে হাঁটার নির্দেশ দিলেন। তবে সেই নির্দেশিকায় বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের(Pending Electricity Bill) প্রসঙ্গ নেই। রয়েছে বিদ্যুৎ সাশ্রয় কেন প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যা। কেননা সামনে এসেছে রাজ্যের অন্তত ৫টি দফতর ও কিছু সরকারি সংস্থার বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা(1600 Crore Rupees)। রাজ্যের মুখ্যসচিবের নির্দেশ, প্রয়োজন না পড়লে, বিশেষ করে টিফিনের সময়ে ফ্যান ও আলো বন্ধ রাখতে হবে সরকারি ভবনে। ব্যবহার না হলে বিদ্যুৎ চালিত যন্ত্র বন্ধ রাখতে হবে। জানলার পাশে এবং অন্য জায়গা থেকে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুতের আলো সরিয়ে ফেলতে হবে। জানলা দিয়ে বাতাস চলাচল বাধামুক্ত রাখতে হবে, যাতে ফ্যানের ব্যবহার কমানো যায়। দিনের বেলায় যতটা সম্ভব সূর্যের আলোয় কাজ করতে হবে। প্রয়োজন না থাকলে কম্পিউটার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র বন্ধ রাখতে হবে।

এর পাশাপাশি মুখ্যসচিব রাজ্যের সব সরকারি ভবনেই LED আলোর ব্যবহারের ওপর জোর দিতে বলেছেন। টিউবলাইটে ব্যবহার করতে বলেছেন ইলেকট্রনিক চোখ। শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্রের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি রাখার কথাও বলেছেন। আলোর সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য Motion Sensor Light বসানোর কথা বলেছেন। সরকারি ভবনগুলির ছাদে সৌর প্যানেল বসানো যায় কিনা সেটাও দেখতে বলেছেন। এই সব নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না তা দেখতে প্রতিটি প্রশাসনিক ভবনের জন্য এক জন নোডাল অফিসার নিয়োগ করতে বলেছেন মুখ্যসচিব। বিদ্যুৎ দফতর তাঁদের প্রশিক্ষণ দেবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয় লক্ষ্য হলেও প্রশাসনিক ভবনগুলির নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও নজর থাকবে প্রশাসনের। মুখ্যসচিবের বার্তায় বলা হয়েছে, ভবনগুলির সিঁড়িতে যাতে পর্যাপ্ত আলো থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি বন্ধ রাখা যাবে না। তবে ভবনে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ আলোকিত রাখতে হবে।

কিছুদিন আগে রাজ্যের সব সরকারি ভবনে বিদ্যুতের খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে ১৬ দফা নির্দেশিকা পাঠানো নবান্ন থেকে। সেখানে বলা হয়েছিল, রাজ্যের সব পুরসভা ও পঞ্চায়েত এলাকায় বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পথবাতি জ্বলবে। এর জন্য Auto Timer System ব্যবহার করতে হবে। রাজ্যের সব সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা, স্বয়ংশাসিত সংস্থা, পুরসভা-পঞ্চায়েতের মতো সংস্থার ভবনের ক্ষেত্রে ওই ১৬ দফা নির্দেশিকা বাধ্যতামূলক ভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নবান্ন থেকে। তবে বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে এই নিয়ন্ত্রণে ছাড় দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ছাড় কোন কোন জায়গায় প্রযোজ্য হবে, তাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। তবে এটা এখনও পরিষ্কার নয় যে, রাজ্যের যে ৫টি দফতর ও কিছু সরকারি সংস্থার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল কে মেটাবে বা কিভাবে তা মেটানো হবে। কেননা বকেয়ার পরিমাণ এক আধ কোটি টাকা নয়, ১৬০০ কোটি টাকা।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00