নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ৩০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন। ওই দিন যাতে নিজ-নিজ এলাকায় থেকেই মন্দিরের উদ্বোদনী অনুষ্ঠান চাক্ষুস করতে পারেন রাজ্যবাসী, তার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিয়ে রাজ্য সরকার। আজ বুধবার (১৬ এপ্রিল) নবান্নে জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে আয়োজিত উচ্চস্তরের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘ব্লকে ব্লকে এলইডি টিভি লাগানো হবে। যাতে সারা বাংলার মানুষ জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে পারেন।’
উদ্বোধনের অনুষ্ঠান নির্ঘন্ট ঘোষণা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ’৩০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন জগন্নাথ মন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে। প্রাণপ্রতিষ্ঠার দায়িত্বে থাকছেন পুরীর মন্দিরের রাজেশ দৈতাপতি। বেলা ১১টায় প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে। বেলা আড়াইটে নাগাদ সরকারের তরফে অনুষ্ঠান শুরু হবে। তিনটে থেকে তিনটে বেজে ১০ মিনিটের মধ্যে মন্দিরের দ্বারোদঘাটন হবে। উদ্বোধন উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, অদিতি মুন্সি, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়রা অনুষ্ঠান পরিবেশন করবেন। ছয় হাজার অতিথি-দর্শকদের বসার ব্যবস্থা থাকবে। গরমের বিষয়টি মাথায় রেখে তিনটি শীততাপনিয়ন্ত্রিত হ্যাঙারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এদিনের বৈঠকে ট্র্যাফিক ব্যবস্থা নিয়েও বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছছেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতা, হাওড়া হয়ে যারা দিঘায় মন্দির উদ্বোধনের সাক্ষী থাকতে যাবেন তাদের জন্য স্থানীয় থানাগুলিকে ‘মে আই হেল্প ইউ’ নামে ক্যাম্প করার নির্দেশ দিয়েছেন। মেডিক্যাল ক্যাম্পের পাশাপাশি অ্যাম্বুল্যান্স রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন। মহাকুম্ভের মতো ভিড়ের চাপে যাতে পদপিষ্টের মতো ঘটনা না ঘটে তার জন্য বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটা গাড়ি অন্য গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে দুর্ঘটনা যাতে না ঘটায় তার দদিকে নজর রাখবেন। মহাকুম্ভে অনেক লোক মারা গিয়েছে। একটা অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’