Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

হাইকোর্টের রায়ের পরেই উচ্চপ্রাথমিকে ১৩ হাজার শিক্ষক পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত

রাজ্যের উচ্চ প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার রায় ১০-১১ অগস্ট নাগাদ দিতে পারে কলকাতা হাইকোর্ট।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বহু বছর ধরে নানা আইনি টানাপোড়েন, মামলা-পাল্টা মামলায় থমকে রয়েছে রাজ্যের সরকারি এবং সরকার পোষিত উচ্চ প্রাথমিক স্কুলগুলিতে(Upper Primary Schools) শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে নিয়োগ(Teachers Recruitment Process)। তবে আগামী মাসে অর্থাৎ অগস্টে এই বিষয়ে আশার আলো দেখা যেতে পারে। কেননা সামনের মাসেই কলকাতা হাইকোর্ট(Calcutta High Court) প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার পদে নিয়োগ সংক্রান্ত রায় দেবে। ১৮ জুলাই এই সংক্রান্ত মামলায় শুনানি শেষ হলেও সেই সময় রায়দান স্থগিত রাখে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ। তবে জানিয়ে দেওয়া হয়, তিন সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত রায়দান হবে। সেই হিসেবে ১০-১১ অগস্ট মামলাটির রায় দিতে পারে হাইকোর্ট। নবান্নের আধিকারিকদের দাবি, মামলার গতিপ্রকৃতি এবং শুনানি দেখে মনে হচ্ছে নিয়োগের পক্ষেই যাবে সেই রায়। আর তাই রাজ্য সরকারও(West Bengal State Government) প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে হাইকোর্টের রায়ের পরে পরেই যাতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যায়। আর যদি তা হয় তাহলে রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের কাছে একটা বড় দরজা খুলে যাবে। তবে আশঙ্কাও থাকছে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে(Supreme Court) নতুন করে মামলা দায়ের করে চাকরির দরজা বন্ধ করে দেওয়ার। 

আরও পড়ুন ‘রাজ্যগুলোকে পঙ্গু করে দিলে দেশটাই যে পঙ্গু হয়ে যাবে’, কেন্দ্রকে বার্তা মমতার

রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ প্রাথমিকে মোট শূন্যপদ ১৪ হাজার ৩৩৯টি। প্যানেলে ১৩ হাজার ৩৩ জনের নাম রয়েছে। আদালতের নির্দেশে সব তথ্য খতিয়ে দেখে ৬৩৫ জন প্রার্থীকে বাতিল করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এর মধ্যে ৫৫৯ জনের ক্ষেত্রে OMR Sheet এবং সার্ভারে প্রাপ্ত নম্বরের গরমিল ধরা পড়ে। ৭৪ জনের OMR Sheet-এ হোয়াইটনার দিয়ে সংশোধন করা হয়েছিল। সেই বিকৃত OMR Sheetগুলিও বাতিল করা হয়েছে। আর বাকি দু’জনের ক্ষেত্রে বিষয় সংক্রান্ত কিছু গরমিল ছিল। ইতিমধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানিয়ে দিয়েছেন, আদালত যদি বলে ওই ৬৩৫ জনকে বাদ দিয়ে নিয়োগ করতে, তাহলে সেটাই করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি থমকে রয়েছে। নিয়োগ বিধি, প্রাথমিক বিজ্ঞপ্তি, শূন্যপদের প্রাথমিক হিসেব আগেই প্রস্তুত। তাও, বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার অগ্রসর হতে পারছে না এই মামলার জটের কারণে। তবে ওয়াকিবহাল মহলের আশা, নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা কাটলেই রাজ্য সরকার উদ্যোগী হবে নিয়োগের ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন মমতার অপমানে ফুঁসছে তৃণমূল, কেন্দ্রকে ‘মাইক বন্ধের সরকার’ বলে কটাক্ষ

আবার রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি থাকছে না বাতিল হচ্ছে, তার একটা আভাস মিলবে সুপ্রিম কোর্টের আগামী ৬ অগস্টের শুনানিতে। মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক, Group-C এবং Group-D স্তরের শিক্ষাকর্মী—মোট ৪ ধরনের নিয়োগ এর সঙ্গে জড়িয়ে। তাই সবকিছু এক জায়গায় আনতে আদালত একটি কমিটিও গঠন করে দিয়েছে। সাহায্য করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং রাজ্যের শিক্ষা দফতরও। নিয়োগবিধি, বিজ্ঞপ্তি, শূন্যপদের সংখ্যা এবং তালিকা, প্রার্থীদের যোগ্যতা সব একজায়গায় রাখা হচ্ছে। ৬ আগস্টের আগেই সেই তথ্য সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়বে। তার পরে হবে শুনানি। অনেকেই মনে করছেন, সুপ্রিম কোর্ট সময় নিয়েই বিষয়টি বিবেচনা করবে। সেক্ষেত্রে ৬ অগস্টেই বিষয়টির মীমাংসা হবে না। তবে, প্রথম দিনের শুনানিতে একটি দিকনির্দেশ পাওয়া যাবে।  

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00