নিজস্ব প্রতিনিধি : এসএসসি চাকরির পরীক্ষায় বসার জন্য ফের ফর্ম ফিলআপ করার সুযোগ। ২০১৬ সালে নিয়োগের প্যানেলে যাঁরা নন টেন্টড, কিন্তু স্নাতকে ৪৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন, তাঁদের ৭দিন ফর্ম ফিলআপ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হোক, আবেদন জানিয়ে চাকরিরত শিক্ষকদের একাংশ দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বরস্থ হয়েছিলেন। এবার তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট। তবে এই বিষয়ে পরীক্ষার দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। আদালত জানিয়েছে, পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হবে নাকি নির্ধারিত দিনেই হবে তা ঠিক করবে কমিশন।
জানা গিয়েছে, আগামী ৭ এবং ১৪ সেপ্টেম্বর এসএসসি লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগের। এবার ২০১৬ সালে নিয়োগের প্যানেলে, যাঁরা নন টেন্টড স্নাতকে ৪৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন তাঁরা সু্প্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের একটি স্পেশাল লিভ পিটিশনের শুনানি হয় বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে। তাঁদের ফর্ম ফিল আপ করার জন্য অতিরিক্ত সাতদিন সময় দেওয়া হয়েছে। এরপরেই নিয়োগের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হবে কি না, তা স্থির করবে কমিশন বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নোটিস জারি করে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে স্কুল শিক্ষা দফতর জানিয়েছিল, স্নাতকে ৫০ শতাংশ থাকর পাশাপশি বিএড থাকলে পরীক্ষায় বসতে পারবেন। নাহলে পরীক্ষায় বসার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন একাধিক স্কুল শিক্ষক।
সুপ্রিম কোর্ট আগেই জানিয়েছে যারা অযোগ্য হিসেবে প্রমাণিত, তারা এই পরীক্ষায় বসতে পারবে না। সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ২১-৪০ বছর পর্যন্ত পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র রয়েছে। ওবিসি সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে। ওএমআর শিট প্রথম কাউন্সেলিং থেকে দু’বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। আর সেটির স্ক্যান কপি ১০ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার নতুন করে সাতদিন সময় দেওয়ার কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে যাবে নাকি নির্ধারিত দিনেই হবে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।