নিজস্ব প্রতিনিধি : কসবাকাণ্ডে জোরদার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ৪জন অভিযুক্তকে নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটনার পুনর্নির্মাণও করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। কসবাকাণ্ডের তদন্তে নেমে শুক্রবার কলেজ থেকে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রের বেতনের স্লিপের কপি নিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত কলেজে চুক্তিভিত্তিক কর্মী বলে জানা গিয়েছিল। স্যালারি স্লিপের সঙ্গে অ্যাটেন্ডেন্স রেজিস্টারও সংগ্রহ করেছে পুলিশ. সেই রেজিস্ট্রারেই সই করতেন বলে জানা গিয়েছে। কলেজে তার চাকরি করার প্রমাণ স্বরূপ এগুলো জমা করতেই সংগ্রহ করেছে লালবাজার।
জানা গিয়েছে, গত শনিবারের পর এই শুক্রবার দ্বিতীয়বারের জন্য অভিযুক্ত ৪জনকে নিয়ে কলেজের ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মোনজিতের স্যালারি স্লিপ ও রেজিস্টারের খাতাও নিয়ে গিয়েছেন আধিকারিকরা। মনোজিৎ মিশ্রের নিয়োগ কীভাবে হয়েছিল সেই বিষয়ে জানতে তৎপর তদন্তকারীরা। নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় ডকুমেন্ট পুলিশ আধিকারিকরা নিয়ে গিয়েছেন। কীভাব কলেজের অস্থায়ীকর্মীদের রিনিউয়াল হত সবটাই খতিয়ে দেখা হবে। মনোজিৎ খাতায় সই করতেন না বলে অভিযোগ। তিনি পরে সই করতেন। তাই কলেজে মনোজিতের আসার যাওয়ার সমস্ত তথ্য তদন্তকারীরা পেতে চাইছেন। বৃহস্পতিবার গভর্নিং কমিটির রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ঘটনার পর গত মঙ্গলবার গভর্নিং কমিটির বৈঠক হয়েছে। তার আগে শেষ কবে বৈঠক হয়েছিল, সবটাই জানার চেষ্টা চলছে।
শুক্রবার ঘটনাস্থলে ৪ অভিযুক্ত নিয়ে গিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে আরও একবার ঘটনার পুনর্নিমাণ করেছে পুলিশ। পুমর্নির্মাণের পরে অভিযুক্তদের নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পরে কলেজ এরিয়ার থ্রি মাপিং করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের ৩৬০ ডিগ্রী ছবি তুলতে এই থ্রি ডি ম্যাপিং করা হয়। ইউনিয়ন রুম, গার্ড রুম থেকে শৌচালয় সব জায়গায় থ্রিডি ম্যাপিং করা হয়েছে। ক্রাইম সিনের ডিটেল মডেল তৈরি করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। কোন প্রমাণ যাতে চোখ না এড়িয়ে যায়, সেই জন্যই এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।