Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘কালো বিল, কালো দিন’, বন্দি মন্ত্রীদের সরানোর বিল নিয়ে সরব মমতা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মোদি সরকারের আনা বন্দিদের সরানো বিলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে ‘নয়া বিল এনে হিটলারি কায়দায় গণতন্ত্রের উপর আঘাত হানতে চাইছে কেন্দ্রের সরকার। এই বিলের মাধ্যমে আদতে আদালত-বিচারব্যবস্থার ক্ষমতাই কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।’ বুধবারের দিনটিকে ‘কালা দিবস’ আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি লোকসভায় পেশ হওয়া বিলকে ‘কালা বিল’ হিসাবেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

এদিনই লোকসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ‘বন্দি মন্ত্রীদের’ অপসারণ সংক্রান্ত এক বিল পেশ করেছেন। নয়া বিলে বলা হয়েছে ‘প্রধানমন্ত্রী, কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রী যদি টানা ৩০ দিন জেলে থাকেন, তা হলে তাঁকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হবে।’ বিরোধীরা লোকসভায় ওই বিলের কপি ছিড়ে ফেলেছেন। এমনকি অমিত শাহের গায়েও বিলের কপির কাগজ টুকরো-টুকরো করে ছুড়ে মেরেছেন। বিল পেশের পরেই কেন্দ্রীয স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন ‘বিলটি পরীক্ষার জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) কাছে পাঠানো হবে।’ যদিও তাতে বিরোধীদের শান্ত করা যায়নি।

মোদি সরকারের আনা ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করে এদিন নিজের ‘এক্স’ (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডলে মমতা লিখেছেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার আজ যে ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেছে, তার নিন্দা জানাই। দেশকে অতি জরুরি অবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টারও নিন্দা জানাই। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে চিরতরে শেষ করার পদক্ষেপ হিসেবেই এই বিল আনা হয়েছে। এই পদক্ষেপ গণতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য মৃত্যুসংবাদ। বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) এর নামে ভারতীয় নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রের পর এটি এখন কেন্দ্রের আরেকটি অতি কঠোর পদক্ষেপ।’

মোদি সরকার দেশের বিচারব্যবস্থাকে গলা টিপে মারতে চাইছে বলে অভিযোগ করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন ‘এই বিলটি এখন আমাদের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা শেষ করতে চায়। আমরা যা দেখছি তা নজিরবিহীন – বিলটি ভারতীয় গণতন্ত্রের আত্মার উপর হিটলারের আক্রমণের চেয়ে কম কিছু নয়। বিচার বিভাগের সাংবিধানিক ভূমিকা কেড়ে নিতে নিতেই এই বিল আনা হয়েছে। এটা সংস্কার নয়। এটা এমন একটি ব্যবস্থার প্রতি পশ্চাদপসরণ যেখানে আইন আর স্বাধীন আদালতের হাতে থাকবে না বরং স্বার্থান্বেষীদের হাতে ন্যস্ত থাকবে। এটা এমন একটি শাসন প্রতিষ্ঠার এক ভয়ঙ্কর প্রচেষ্টা যেখানে বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে না, সাংবিধানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলা হবে এবং জনগণের অধিকার পদদলিত করা হবে। এভাবেই কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা, এমনকি ইতিহাসের ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থাও, ক্ষমতাকে একীভূত করে। এটি সেই মানসিকতার গন্ধ দেয় যা বিশ্ব একসময় বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়ে নিন্দিত হয়েছিল। আদালতগুলিকে দুর্বল করা মানে জনগণকে দুর্বল করা। তাদের ন্যায়বিচার চাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা মানে গণতন্ত্রকে বঞ্চিত করা। বিলটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো, ক্ষমতা পৃথকীকরণ এবং বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনা-নীতিগুলিকে আঘাত করে যা এমনকি সংসদও অগ্রাহ্য করতে পারে না। যদি এটি পাস হতে দেওয়া হয়, তাহলে এটি ভারতে সাংবিধানিক শাসনের জন্য মৃত্যুদণ্ডের পরোয়ানা হবে।’

মোদি সরকারের আনা কালা বিলকে প্রতিহত করার ডাক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন ‘আমাদের এই বিপজ্জনক অপব্যবহারকে প্রতিহত করতে হবে। আমাদের সংবিধান ক্ষমতার অস্থায়ী আসনে থাকা ব্যক্তিদের সম্পত্তি নয়। এটি ভারতের জনগণের।এই বিলের উদ্দেশ্য হলো এক ব্যক্তি, এক দল, এক সরকার ব্যবস্থাকে সুসংহত করা। এই বিল সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে পদদলিত করবে। এই বিলটি নির্বাচিত রাজ্য সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য অনির্বাচিত কর্তৃপক্ষের (ইডি, সিবিআই- যাদের সুপ্রিম কোর্ট ‘খাঁচাবদ্ধ তোতাপাখি’ বলে বর্ণনা করেছে) কাছে ব্যাপক ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। এটি আমাদের সংবিধানের মৌলিক নীতির মূল্যে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অশুভ উপায়ে ক্ষমতায় রাখার একটি পদক্ষেপ। যে কোনও মূল্যে বিলটি প্রতিহত করতে হবে! এই মুহূর্তে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে! জনগণ তাদের আদালত, তাদের অধিকার এবং তাদের গণতন্ত্র কেড়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টাকে ক্ষমা করবে না।জয় হিন্দ।’

জঙ্গলমহলে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী, মমতার পাশে থাকার বার্তা

‘‌মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব’‌, নির্বাচন মরশুমে বার্তা মমতার

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার মমতার

নন্দীগ্রাম পুনরুদ্ধারে উন্নয়নই শাসক দলের হাতিয়ার

দলকে অস্বস্তিতে ফেলে শতাব্দী-সহ তৃণমূলের মহিলা সাংসদদের নিশানা কল্যাণের

২৬ দিনে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরে হাজির কোটি মানুষ, আপ্লুত মমতা

প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখছেন মমতা, কবে প্রকাশ হবে?

মেয়ো রোডের সমাবেশ থেকে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিয়ে সুর চড়ালেন মমতা

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00