নিজস্ব প্রতিনিধি :কলকাতা শহরে আমাদের। আমরা সবাই চিন্তিত। সেন্ট্রাল ও নর্থ কলকাতাতে একাধিক বাজার আছে। যার রাস্তা খুব সরু। তার জন্য ফায়ার অডিট প্রয়োজন। বাজারে বিকল্প রাস্তা ,জল কি ভাবে দেওয়া উচিত এসব নিয়ে ফায়ার অডিট দরকার। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ফায়ার অডিট করে কি ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ফায়ার সার্ভিস থেকে নির্দেশ আসার পর কলকাতা পুরসভা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভায় অধিবেশনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান মেয়র ফিরহাদ হাকিম(Mayor Firhad Hakim)।তিনি বলেন,আসলে এখন প্রচন্ড গরম পড়েছে । এসি ওভারটাইম চলার কারণে শর্ট সার্কাট হয়ে আগুন লাগছে। সজল ঘোষ যেটা বলেছে, গঙ্গাজল দিতে, সম্ভব নয়। পলি মাটি পরিস্কার করার জন্য আমাদের রাস্তা কাটতে হচ্ছে। গঙ্গা জলের উপরে নির্ভর হতে হচ্ছে। আমরা স্পেঙ্কলার সৃষ্টি করে আগুন নেভানোর কাজ করি। এখন মডার্ন টেকনোলজি হয়ে গেছে। এসি এবং কিছু মানুষের অসাবধানতার জন্য আগুন লাগছে। বাজার প্রচুর আছে কলকাতা পুর সভার। আবার প্রচুর মার্কেটের আমাদের কাছে খতিয়ান নেই। আমরা তাদের কে বলছি কিন্তু অনেক জায়গা আবার শরিকি বিবাদ রয়েছে।
আর অনেক জায়গা নোটিশ দিয়ে বাজার বন্ধ করে দিতে পারি। প্রাইভেট মার্কেট আছে। অনেক দিন রয়েছে। অরফানগঞ্জ মার্কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণে সম্ভব সেই সময় হয়নি। কারণ হকার দের পরিকাঠামো ছিল না। তারা বলছে জল ছিল না। মধুসূদন দত্ত বাড়ি রক্ষনাবেক্ষণ এক সময় পড়ে গিয়েছিল। মধুসূদন দত্তর তিনটে না চারটে বাড়ি ছিল। আমি আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়ি খুঁটিয়ে দেখতে বলেছি। জগন্নাথ প্রসাদ সব বাড়িতে পৌঁছচ্ছে। অনেকেরই আনন্দ সহকারে প্রসাদ গ্রহণ করেছেন । আমি এই নিয়ে বলতে পারি বাংলার গর্ব হচ্ছে আমাদের জগন্নাথ মন্দির দিঘার । এই মন্দিরকে কাউন্টার করা একটা খারাপ। আমি যে মন্দিরে যেতে চাই যাব। এগুলো যারা অর্ধ শিক্ষিত ছোট মনের মানুষ তাঁরা করে এই গুলো বলা মনে আমি কত ছোট আমার মনোভাব কত নিকৃষ্ট। কোনো ভদ্র লোকের মুখে এইরকম কথা শোনা যায় না।
আমার কথা আমার কাছে আপনার কথা আপনার কাছে। আসলে পায়ের তলায় মাটি নেই তাই আমি কাদায় নাচচ্ছি। আমি আমার বিশ্বাস কে সামনে রেখে চলি।পুরী মন্দির তার বিকল্প হিসাবে বা লড়াই করার জন্য নয়। ধর্ম লড়াই করার জন্য নয়। ধর্ম হচ্ছ আমার আত্মাকে শুদ্ধ করা ।সেটাই হচ্ছে ধর্মের । আপনি কি হিন্দু দের দায়িত্ব নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী(CM) নিজের ধর্মের মানে এবং সব ধর্ম কে বিশ্বাস করি । ওরা করছে মুখ্যমন্ত্রী তো করছেন না। আমার চেতলাতে অনেক গুলি কালী পুজো হয়। ওনারা এক্ট লাগাচ্ছেন কেন । এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়। এটা উচিত শিক্ষা দফতর থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আমার টিফিন দেবুকে খাওয়াতাম। পাগল কি না বলে ছাগলে কি না খায়। আসলে খুব দুঃখের সাথে যখন একজন নিজের আদর্শনীতি ছেড়ে দেয়না। তিনি মানবিক অবসাদে ভোগে। আমি একজন কে এখন দেখছি তার কি অবস্থাতে এখন আছে মন্তব্য, ফিরহাদের ।