Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ED-তলব করেছে এমন কোনও নোটিস পাইনি, দাবি জীবনকৃষ্ণের

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED ডেকে পাঠিয়েছে, বড়ওয়ানের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। যদিও বিধায়ক হাজিরা দেবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়(School Teacher Recruitment Scam Case) Enforcement Directorate বা ED আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার কলকাতার পাশে থাকা সল্টলেকের CGO Complex-এ তাঁদের কার্যালয়ে ডেকে পাঠিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ওয়ানের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে(Jiban Krishna Saha)। যদিও বিধায়কের দাবি, ‘আমার কাছে হাজিরার কোনও নোটিস নেই। হাজিরার কোনও খবরও নেই।’ স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে মাত্র কিছুদিন আগে জেল থেকে রেহাই পাওয়া বিধায়ক কী ED’র ডাকে আদৌ সাড়া দেবেন? তিনি কী আগামিকাল CGO Complex-এ তাঁদের কার্যালয়ে হাজিরা দেবেন? নাকি তিনি এখন ED-কে এড়িয়ে যেতে চাইছেন? কোনটা? ED সূত্রের খবর, রাজ্যের সরকারি এবং সরকার পোষিত স্কুলে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই জীবনকে ডাকা হয়েছে। যদিও তিনি আগামিকাল হাজিরা দেবেন কিনা তা নিয়ে খোদ ED আধিকারিকদেরও সন্দেহ আছে।   

আরও পড়ুন কুয়ের বাঁধ ভেঙে ভেসে গেল তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভূমি লাভপুর

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে জীবনের স্ত্রী টগরী সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ED। জীবনকৃষ্ণের স্ত্রীর সম্পত্তি নিয়ে ‘খোঁজখবরের’ সূত্রেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সেই জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই জীবনকৃষ্ণকে ফের তলব করা হয়েছে। সোমবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও ED তলবের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিধায়ক। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৪ এপ্রিল জীবনকৃষ্ণের কান্দির বাড়িতে টানা তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI। চলেছিল বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ। সেই জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশির ফাঁকে জীবন তাঁর ব্যবহার করা ২টি মোবাইল ফোন বাড়ির পিছনে পুকুরের জলে ফেলে দিয়েছিলেন। জল থেকে জীবনের ফোন খুঁজে বার করতে বেগ পেতে হয় তদন্তকারীদের। তার পর ১৭ এপ্রিল মধ্যরাতে কলকাতা থেকে সিবিআইয়ের আরও একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে জীবনকৃষ্ণের কান্দির বাড়িতে পৌঁছয়। গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। 

আরও পড়ুন পূর্ব মেদিনীপুরে ৩ পুলিশ জেলার গঠনের প্রস্তুতি শুরু

লোকসভা ভোটপর্বের মাঝে গত ১৪ মে প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি জীবনকৃষ্ণের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রায় ১৩ মাস পরে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে জামিন পান বড়ওয়ানের বিধায়ক। তার পরই নিয়োগ মামলায় ED ফের ডেকে পাঠাল তাঁকে। সূত্রে জানা গিয়েছে জীবন জামিনে মুক্ত হতেই ED ‘বেআইনি লেনদেনে’র বিষয়ে তৎপর হয়। জীবনকৃষ্ণের ‘পুকুরে ছুড়ে ফেলা মোবাইল’ থেকে যে তথ্য পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল, তাতে ‘টাকা ফেরতের’ প্রসঙ্গ রয়েছে বলে জানিয়েছিল CBI। সেই সূত্র ধরেই জীবনকৃষ্ণকে তলব করা হয়েছে বলে খবর।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00