নিজস্ব প্রতিনিধি : নারীদিবসে বাবার ক্রোধের শিকার মেয়ে। তিনতলার বারান্দা থেকে রাস্তায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল বাবা।ঘটনাটি ঘটেছে যাদবপুরের আনন্দপল্লি এলাকায়। মারাত্মক জখম তরুণী। রক্তাক্ত অবস্থায় কিশোরিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। কিশোরির অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে আহত কিশোরি। মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
মেয়েকে তিনতলা থেকে কেন ছুঁড়ে ফেলল খোদ বাবা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এর পেছনে কি লুকিয়ে রয়েছে কোন ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি অন্য কোন কারণ ? ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে যাদবপুর থানার পুলিশ।গ্রেফতার করা হয়েছে কিশোরীর বাবাকে।অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। নাবালিকার মাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, কন্যাকে খুন করতেই অভিযুক্ত তিন তলার বারান্দা থেকে ধাক্কা মেরেছিলেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় সংহিতার ১০৯ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত করছে পুলিশ। খুনের চেষ্টার অভিযোগে চিন্ময়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রতিবেশী সূত্রে খবর, যাদবপুরের আনন্দপল্লির বাসিন্দা চিন্ময় গোপ পরিবার নিয়ে থাকতেন। ওই এলাকারই এক বহুতলের তিন তলার ফ্ল্যাটে। শনিবার দুপুরে আচমকাই ১৫ বছরের কন্যাকে ফ্ল্যাটের বারান্দা থেকে ঠেলে ফেলে দেন। তড়িঘড়ি ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়।এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন ওই নাবালিকা। তবে কোন কারণে চিন্ময় এমন কাণ্ড ঘটাল তা জানা যায় নি। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দারা। পারিবারিক কলহ ছিল কিনা তাও এখনও জানা যায় নি।