নিজস্ব প্রতিনিধি, দিঘা : রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস। পরেরদিন জন্মাষ্টমী। পর পর তিনদিন ছুটি। তাই অনেকেই ব্যাগ গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়েছেন ঘুরতে। চলতি বছরে দিঘায় বাড়াছে ভিড়। জগন্নাথ মন্দিরের দর্শন করতে সেখানে হাজির হচ্ছেন অনেকে। দিঘার প্রায় ৯০ শতাংশ হোটেল বুকিং হয়ে গিয়েছে। বাকি যেটুকু রয়েছে, তাও হয়ে যাবে বেল আশা করছেন হোটেল মালিকরা।
তিনদিনের ছুটি তার ওপর জগন্নাথ মন্দির দর্শন সব মিলিয়ে জমজমাট হতে চলেছে সমুদ্র সৈকত। স্বাধীনতা দিবসের আগে নজরদারি দিঘা প্রশাসনের। চলছে নাকাচেকিং। নিরাপত্তার দিকে নজর দিয়ে দিঘার সর্বত্র কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। কোথায় কে আসছে, কে থাকছে সবটাই নখদর্পণে রাখছে প্রশাসন। হোটেল ভাড়ায় যাতে প্রযটকরা প্রতারিত না হন, সেদিকে কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাধীনতা দিবসে নাশকতা এড়াতে দিঘা, মন্দারমণির সৈকত ও দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের ও দিঘা সীমান্তে নজরদারি রাখছে পুলিশ। স্পিড বোট ও জেট স্কি নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশবাহিনী। হোটেলগুলোতেও রয়েছে নজরদারি। অপরাধীরা যাতে পরিচয় গোপন করে হোটেলা না উঠতে পারে, সেই দিকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হোটেলগুলোতে য।াতে কালোবাজারি না হয় সেদিকে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।
ইতিমধ্যএ পুলিশের পক্ষ থেকে দিঘার প্রায় সব হোটেলগুলোকে রুমের ভাড়ার তালিকা কাউন্টারে ঝুলিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। গাইড বুকেও দুশোটির বেশি হোটেলের তথ্য ও ভাড়ার তালিকা ছবি সমেত দেওয়া হয়েছে। স্বামীনতা দিবসে যাতে কোনওভাবে নাশকতার ঘটনা না ঘটে তারজন্য তৎপর পুলিশ প্রশাসন।