নিজস্ব প্রতিনিধি: বিয়ে হয়েছে মাত্র সাত দিন আগে। প্রথম দু’দিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও তৃতীয় দিনে বদলে যায় চিত্রটা। নববধূর বিছানায় স্বামীর বদলে এলেন তাঁর শ্বশুর। তরুণীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাঁকে বলপূর্বক ধর্ষণ করেন ওই ব্যক্তি(Housewife Raped)। একবার নয়, মাত্র এক সপ্তাহের বিয়েতে একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ তরুণীর(Domestic Violence)। স্বামীকে এবিষয়ে জানালে সে কোনও প্রতিবাদ করে না। এরপর তরুণী নিজেই বিষয়টি নিয়ে বিচারের দাবিতে পুলিশের দ্বারস্থ হন।
আরও পড়ুনঃ আরজি কর কাণ্ডে প্রমাণ লোপাটের নেপথ্যে রয়েছেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা!
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার(North 24 Paraganas) দেগঙ্গায়। জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে দেখাশোনা করেই বিয়ে হয়েছিল ওই তরুণীর(Arrenged Marriage)। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের ঠিক দু’দিন পর থেকেই তরুণীর ওপর কুনজর পড়ে তাঁর শ্বশুরের। বিনা কারণে তিনি অত্যাচার শুরু করেন। তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলেও অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ জানালে প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি অভিযোগকারিণীর। অভিযোগের ভিত্তিতে তরুণীর শ্বশুরকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে সোমবার বারাসাত আদালতে পেশ করা হবে। এদিকে অভিযুক্ত শ্বশুরের দাবি, তিনি কিছুই করেননি। অন্যদিকে তরুণীর স্বামীকে এপ্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি আগের মতোই নিরুত্তর থাকেন।
আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেনে হেনস্থার শিকার তরুণী, প্ল্যাটফর্মে ফেলে মারা হল বয়ফ্রেন্ডকে
এদিন আদালতে নেওয়া হবে নির্যাতিতার জবানবন্দি। এরপর উপযুক্ত সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্যাতিতা তরুণী শ্বশুরের পাশাপাশি স্বামীর দিকেও অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, স্বামী সবকিছু জেনেশুনেও কিচ্ছু বলেননি। সবটা নীরবে মেনে নিয়েছেন। এটাও এক ধরণের অন্যায়। তবে পুলিশের তরফে শুধুমাত্র শ্বশুরকেই এখনও পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয়েছে।