নিজস্ব প্রতিনিধি: চাঞ্চল্যকর মোড়। নদিয়া(Nadia) জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগরের(Krishnanagar) রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমপাড়া এলাকায় এদিন অর্থাৎ বুধবার সকালে এক তরুণীর অর্ধনগ্ন ও অর্ধদগ্ধ দেহ(Half Naked and Half Burnt Body Recover) মেলে। সেই ঘটনায় সকাল থেকেই ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ(Police) ওই তরুণীর পরিচয় জানতে পারে। আর সেই সূত্রেই সামনে আসে তরুণীর এক বন্ধুর কীর্তিকলাপ। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে তরুণীকে খুন করার পিছনে এই বন্ধু ও তার বাবা-মার হাত রয়েছে। পুলিশ ৩জনকেই আটক(Detained) করে থানায় নিয়ে এসেছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদও।
আরও পড়ুন, আর জি কর হাসপাতালের আশেপাশে বেআইনি জমায়েত নয়, নিষেধাজ্ঞা বাড়ল আরও ১৫দিন
জানা গিয়েছে, তরুণীর বাড়ি কৃষ্ণনগরের আনন্দময়ীতলা বালকেশ্বরী বারোয়ারির কাছে। গতকাল সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে বার হয়। কিন্তু রাতে আর ফেরেনি। সেই সূত্রেই রাতের দিকে তাঁর পরিবার স্থানীয় থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করে। এদিন সকালে তাঁরা তরুণীর দেহ শনাক্ত করেন। আশ্রমপাড়া বারোয়ারির ঠিক উল্টো দিকে এদিন সকালে রাস্তাতেই ওই তরুণীর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণীর মুখ দগ্ধ অবস্থায় ছিল। সকাল ৭টা নাগাদ প্রাতর্ভ্রমণকারীরা জেলা পুলিশ সুপারের অফিসের ঠিক পিছনে আশ্রমপাড়া বারোয়ারির উল্টো দিকে তরুণীর অর্ধদগ্ধ দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের অনুমান, ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে। ধর্ষণ করে খুনের পর, প্রমাণ লোপাট করতেই দেহটি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, লক্ষ্মী পুজোর দিনেই সাতসকালে গুলিতে ঝাঁঝরা তৃণমূল ঘণিষ্ঠ প্রমোটার
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কৃষ্ণনগর থানার পুলিশ। দেহটি তাঁরা উদ্ধার করে তা শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য। সেই হাসপাতালেই তরুণীর পরিবার এসে তাঁকে শনাক্ত করে। তরুনীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সে নাচ, গান, পড়াশোনা এবং কম্পিউটার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ ছিল। তরুণীর বন্ধু তাঁকে একাধিকবার প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিলেও সে তাতে রাজী হয়নি। পুলিশ এরপরেই ওই যুবক ও তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তাদের কথায় বিস্তর অসঙ্গতি থাকায় তাদের আটক করে কৃষ্ণনগর থানায় নিয়ে আসা হয়।