নিজস্ব প্রতিনিধি: একেই বোধ হয় বলে, মধুর প্রতিশোধ। গত মাসেই উইম্বলডনের ফাইনালে বয়সে ছোট কার্লোস আলকারাজের কাছে হেরে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন চুরমার হয়েছিল নোভাক জোকোভিচের। রবিবার সেই হারের বদলা নিলেন সার্বিয়ান টেনিস তারকা। অলিম্পিক্সে পুরুষদের টেনিস ফাইনালে স্প্যানিশ টেনিস তারকা আলকারাজকে হারিয়ে সোনা জিতলেন জোকার। এতদিন অলিম্পিক্সে সোনা না জেতার আক্ষেপ ঘোচালেন। অন্যদিকে এদিন হেরে যাওয়ায় স্বদেশীয় রাফায়েল নাদালকে ছোঁয়া হল না আলকারাজের।
এদিন ফিলিপে শাঁতিয়ের কোর্টে বিশ্বের টেনিস দুনিয়ার দুই মহাতারকার হার না মানা লড়াইয়ের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা। ১৯৮৮ সালে অলিম্পিক্সে টেনিসের প্রত্যাবর্তনের পর এমন নখ কামড়ানো উত্তেজনার ফাইনাল যে হয়নি তা হলফ করে বলা যায়। প্রথম সেট টাইব্রেকারে ৭-৬ গেমে জিতে এগিয়ে গিয়েছিলেন ৩৭ বছর বয়সী সার্বিয়ান টেনিস তারকা। দ্বিতীয় সেটে দুর্দান্তভাবেই প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল স্প্যানিশ টেনিস তারকা আলকারাজের। ব্যাক হ্যান্ড আর ফোর হ্যান্ডে প্রতিপক্ষকে টেক্কা দেওয়ার একটা চেষ্টা চালিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেননি। মাটি কামড়ে লড়াই চালানোর পরেও টাইব্রেকারে ৭-৬ গেমে হেরে গেলেন।
এদিন ছয় বারের চেষ্টায় অলিম্পিক্সে সোনা জিতে স্টেফি গ্রাফ, আন্দ্রে আগাসি, রাফায়েল নাদাল এবং রজার ফেডেরারের পর বিশ্বের পঞ্চম টেনিস খেলোয়াড় হিসাবে এক অনন্য নজির গড়লেন জোকোভিচ। চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামই এক বার করে জেতার পাশাপাশি অলিম্পিক্সে সোনা জিতলেন। আর কাঙ্খিত লক্ষ্য পূরণের পরে বাচ্চাদের মতো মাটিতে হাঁটু মুড়ে বসে কাঁদতে শুরু করলেন সর্বকালের সেরা টেনিস তারকা। ফের একবার জোকার বুঝিয়ে দিলেন কেন বলা হয়, ওল্ড ইজ গোল্ড।