নিজস্ব প্রতিনিধি, বিশাখাপত্তনম: মিচেল স্টার্কের আগুনে বোলিংয়ের মুখে নাস্তানাবুদ হলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটাররা। অনিকেত ভার্মা ছাড়া আর কোনও ব্যাটারই বড় রানের ইনিংস খেলতে পারেননি। এক অঙ্কের রানেই সাজঘরে ফিরেছেন সানরাইজার্সের সাত ব্যাটার। ফলস্বরূপ রবিবার বিশাখাপত্তনমে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৮.৪ ওভারে ১৬৩ রানেই গুটিয়ে গেলেন প্যাট কামিন্সরা। দিল্লির হয়ে মিচেল স্টার্ক ৩৫ রানে পাঁচটি এবং কুলদীপ যাদব ২২ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন।
টসে জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়ায়। প্রথম ওভারেই রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন অভিষেক শর্মা (১)। তৃতীয় ওভারে বল করতে এসে আগুন ঝরান অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্ট্রার্ক। প্রথম বলে ফেরান ঈশান কিশনকে (২)। তৃতীয় বলে শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন নীতীশ রেড্ডিকে। যার উপর বড় ভরসা ছিল হায়দরাবাদের সমর্থকদের সেই ট্র্যাভিস হেড ফেরেন মাত্র ২২ রান করে। ৩৭ রানের মধ্যে প্রথম সারির চার ব্যাটারকে হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে হায়দরাবাদ। থরহরি কম্প শুরু হয়ে যায় প্যাট কামিন্সের দলে।
পঞ্চম উইকেটে অনিকেত ভামা ও হাইনরিখ ক্লাসেন প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুজনে মাথা ঠাণ্ডা করে খেলে দিল্লির বোলারদের আক্রমণ সামনে রান মেশিন সচল রেখে দলকে ১০০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। ১১ তম ওভারে মোহিত শর্মার বলে অনিকেতের লোপ্পা ক্যাচ ফেলে দেন ডু প্লেসিস। তখন ৪০ রানে ব্যাট করছিলেন অনিকেত। যদিও ওই ওভারে ক্লাসেনকে (১২ বলে ২২) ফিরিয়ে জুটি ভাঙতে সক্ষম হন মোহিত। এর পর একা কুম্ভ হয়ে লড়াই চালিয়ে যান অনিকেত। ৩৪ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। কিন্তু উল্টোদিকে হায়দরাবাদের কোনও ব্যাটারই থিতু হতে পারেননি। অভিনব মনোহর (২) ও প্যাট কামিন্সকে (২) ফিরিয়ে হায়দরাবাদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দেন কুলদীপ যাদব। নিজের পরের ওভারে অনিকেতকে (৭৪) থামান ভারতীয় দলের স্পিনার। ১৯তম ওভারে বল করতে এসে ফের হর্ষল পটেল (৫) ও উইয়ান মুল্ডারকে (৯) ফিরিয়ে হায়দরাবাদকে ১৬৩ রানে গুটিয়ে দেন মিচেল স্টার্ক।