Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সুদর্শনের লড়াই জলে, মুম্বইয়ের কাছে হেরে বিদায় গুজরাতের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউ চণ্ডীগড়: ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো ম্যাচের ভাগ্য বার বার দুলছিল। কখনও গুজরাত টাইটান্সের দিকে, পরক্ষণেই আবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দিকে ঝুঁকছিল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিজয়ীর হাসি হাসলেন হার্দিক পাণ্ড্যরা। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে গুজরাতকে ২০ রানে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পঞ্জাব কিংসের মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। শুক্রবার (৩০ মে) রাতে মুল্লানপুরের মহারাজা যাদবেন্দ্র সিংহ স্টেডিয়ামে রোহিত শর্মা-জনি বেয়ারস্টোর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের দৌলতে প্রথমে ব্যাট করে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২২৮ রান তুলেছিল মুম্বই। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রানেই থেমে গেলেন শুভমন গিলরা।

টসে জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকেন মুম্বইয়ের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও জনি বেয়ারস্টো। গুজরাতের বোলারদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলে দুজনে প্রথম পাওয়ার প্লে-তে ৭৯ রান তুলে দলকে শক্ত ভিতের উপরে দাঁড় করান। অষ্টম ওভারে সাই কিশোরের বলে অর্ধশতরানের দোরগোড়া থেকে সাজঘরে ফিরে যান ইংডিশ ব্যাটার বেয়ারস্টো। তিনি চারটি চার আর তিন ছক্কার সাহায্যে ২২ বলে ৪৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। বেয়ারস্টো ফিরে যাওয়ার পরে মুম্বইকে এগিয়ে নিয়ে যান রোহিত ও সূর্যকুমার যাদব। ৮.৪ ওভারেই ১০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। ২৮ বলেই ব্যক্তিগত অর্ধশতরানে পৌঁছন রোহিত। ১৩তম ওভারে সূর্য যাদবকে (৩৩) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সাই কিশোর।

এর পর জুটি বেঁধে দলকে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন তিলক ভার্মা ও রোহিত। যেভাবে রোহিত খেলছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল শতরান করার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছেন। যদিও শতরানের আগেই থামতে হয় মুম্বইয়ের প্রাক্তন অধিনায়ককে। ১৭তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলে বড় শট খেলতে গিয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাঁকে। আউট হওয়ার আগে ৯টি চার ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ৫০ বলে ৮১ রান করে যান। রোহিত ফেরার পরে রান ওঠার গতি খানিকটা শ্লথ হয়ে যায়। পর পর উইকেট হারায় মুম্বই। তিলক ভার্মা ১১ বলে ২৫ এবং নমন ধীর ৬ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২২৮ রানে পৌঁছয় মুম্বই। অধিনায়ক হার্দিক ৯ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। গুজরাতের হয়ে সাই কিশোর ৪২ রানে ২টি এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ৫৩ রানে ২টি উইকেট নেন। বাকি উইকেটটি নিয়েছেন মোহাম্মদ সিরাজ।

জয়ের জন্য ২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রামধাক্কা খেয়েছিল গুজরাত। ইনিংসের চতুর্থ বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক শুভমন গিল। তিনি করেন মাত্র ১ রান। এর পরে দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে সেই ধাক্কা সামাল দেন চলতি আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সাই সুদর্শন ও কুশল মেন্ডিস। পাল্টা আক্রমণের পথে হেঁটে মুম্বইয়ের বোলারদের আত্মবিশ্বাসের ভিত নড়িয়ে দেন সুদর্শন। সপ্তম ওভারে মিচেল স্যান্টনারের বলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে হিট উইকেট হয়ে আউট হন কুশল (১০ বলে ২০)। ভেঙে যায় ৬৪ রানের জুটি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখনও ছিল মুম্বইয়ের হাতে।

কিন্তু তৃতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে হার্দিকদের হাত থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেন সাই সুদর্শন ও ওয়াশিংটন সুন্দর। বাউন্ডারি হাঁকিয়ে মাত্র ২৮ বলেই ব্যক্তিগত অর্ধশতরানে পৌঁছন সুদর্শন। ৯.২ ওভারেই ১০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় গুজরাত। ১৪তম ওভারে বল করতে এসে সুন্দরকে (২৩ বলে ৪৮) ক্লিন বোল্ড করে ৮৪ রানের জুটি ভাঙেন যশপ্রীত বুমরাহ। এর পর ১৬তম ওভারে এসে সাই সুদর্শনকে (৮০) ফিরিয়ে গুজরাতকে জোর ধাক্কা দেন রিচার্ড গ্লেসন। সেই ধাক্কাতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয় শুভমন গিলদের। রাহুল তেওয়াতিয়া (অপরাজিত ১৬), শেরফানে রাদারফোর্ড (২৪), শাহহরুখ খানরা (১৩) দলকে জয় এনে দেওয়ার মতো অতিমানবীয় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২০৮ রানেই থমকে যায় গুজরাতের ইনিংস। মুম্বইয়ের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট ৫৬ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা, রিচার্ড গ্লেসন, মিচেল স্যান্টনার ও অশ্বনী কুমার।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00