নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাল খেলেও এলিমিনিটরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল গুজরাত টাইটান্সকে। তবে শুভমন গিলদের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গেলেও সান্ত্বনা পুরস্কার জুটেছে। সর্বাধিক রান ও সর্বাধিক উইকেট শিকারি হয়েছেন দলের দুই খেলোয়াড় সাই সুদর্শন ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। ১৫ ম্যাচে একটি শতরান-সহ ৭৫৯ রান করে কমলা টুপির মালিকানা পেয়েছেন সাই সুদর্শন। আর সর্বাধিক উইকেট শিকারির বেগুনি টুপি মাথায় উঠেছে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার।
সর্বাধিক রান সংগ্রাহক হওয়ার দৌড়ে প্রথমে এগিয়ে ছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টসের নিকোলাস পুরান। যদিও প্রতিযোগিতা এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে বাকি সবাইকে টেক্কা দিয়ে যান সাই সুদর্শন। শেষের দিকে তাঁর সঙ্গে জোর টক্কর চলছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সহ অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের। ১৫ ম্যাচে যেখানে সাইয়ের রান ছিল ৭৫৯, সেখানে সূর্যের রান ছিল ১৬ ম্যাচে ৭১৭। কিন্তু দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পঞ্জাব কিংসের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে মুম্বই ছিটকে যাওয়ার পরেই নিশ্চিত হয়ে যায়, সাইকে টপকানো হচ্ছে না সূর্যের। দৌড়ে থাকলেও গুজরাত টাইটান্সের ওপেনারকে টপকে যেতে বিরাট কোহলির দরকার ছিল ১৪৬ রানের। তিনি ওই অসাধ্যসাধন করতে পারেন কিনা, সেদিকে নজর ছিল সবার। কিন্তু মঙ্গলবার ফাইনালে মাত্র ৪৩ রান করে তিনি ফিরে যেতেই নিশ্চিত হয়ে যায় কমলা টুপির মালিক হচ্ছেন সাই সুদর্শনই।
অন্যদিকে সর্বাধিক উইকেট শিকারির দৌড়ে শীর্ষে ছিলেন গুজরাতের প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। তিনি ১৫ ম্যাচে ৪৮৮ রান দিয়ে ২৫ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চেন্নাই সুপার কিংসের নূর আমেদ। তাঁর ঝুলিতে ছিল ২৪ উইকেট। কিন্তু চেন্নাই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ায় নূরের বেগুনি টুপির মালিক হওয়ার স্বপ্ন আগেই ধাক্কা খেয়েছিল। একমাত্র রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জস হেজলউডের সামনে প্রসিদ্ধকে টপকে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু সেক্ষেত্রে ফাইনালে পাঁচটি উইকেট নিতে হতো তাঁকে। কিন্তু মাত্র একটি উইকেট পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় অজি বোলারকে। তাঁর উইকেট শিকারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২২।