নিজস্ব প্রতিনিধি, লখনউ: দুর্দান্ত সূচনা সত্বেও পর পর উইকেট খোয়ানোয় লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে বড় রানের ইনিংস গড়তে পারল না গুজরাত টাইটান্স। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তুললেন শুভমন গিলরা। লখনউয়ের হয়ে শার্দূল ঠাকুর ৩৪ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন।
শনিবার (১২ এপ্রিল) লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে গুজরাত টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত ব্যুমেরা হয়ে যায়। শুরু থেকেই হাত খুলে খেলতে শুরু করেন গুজরাতের দুই ওপেনার শুভমন গিল ও সাই সুদর্শন। ৫.১ ওভারেই দলকে ৫০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। শার্দূল ঠাকুর-আকাশদীপ-দিগবেশ সিংহদের নিয়ে ছেলেখেলা করতে থাকেন দুই ব্যাটার। চলতি আইপিএলে ছন্দে না থাকা শুভমন ৩১ বলেই নিজের অর্ধশতরানে পৌঁছে যান। ৯.৪ ওভারে ১০০ রানের গণ্ডি পার করে গুজরাত। খানিকবাদে অর্ধশতরান পেয়ে যান সাই সুদর্শন। তিনি ৩২ বলে ৬টি চচার ও এক ছক্কার সাহায্যে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৩তম ওভারে বল করতে এসে শুভমনকে সাজঘরে ফেরান আবেশ খান। ৩৮ বলে ছয়টি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ৬০ রান করে ফেরেন গুজরাত অধিনায়ক। পরের ওভারে ফিরে যান সাই সুদর্শনও। রবি বিষ্ণোইয়ের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। আউটের আগে করে যান ৩৭ বলে ৫৬।
দুই ওপেনার ফিরতে গুজরাতের রান ওঠার গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ব্যাটিং লাইন আপও ভেঙে পড়ে। ওয়াশিংটন সুন্দর ফেরেন মাত্র দুই রান করে। শেরফানে রাদারফোর্ডকে সঙ্গে করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চচচালান জস বাটলার। যদিও তিনি বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। ১৪ বলে ১৬ রান করে দিগবেশ সিংহের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এর পরে পঞ্চম উইকেটে রাদারফোর্ড ও শাহরুখ খান জুটি বেঁধে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নেন। তবে হাতে উইকেট থাকা সত্বেও দুজনকে তেমন মারমুখী মেজাজে দেখা গেল না। ১৯তম ওভারে আবেশ খানের বলে নেন ১২ রান। শেষ ওভারে গুজরাত শিবিরে জোড়া ধাক্কা দেন শার্দূল ঠাকুর। তৃতীয় বলে রাদারফোর্ডকে (১৮ বলে ২২) ফেরান। পরের বলে আউট করেন রাহুল তেওয়াতিয়াকে (০)। তবে হ্যাটট্রিক রুখে দেন রশিদ খান। শট খেলেই দুই রান নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রানে পৌঁছয় গুজরাত। শাহরুখ খান ১১ ও রশিদ খান চার রানে অপরাজিত থাকেন।