নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্রাজিলিয়ান তরুণ জোয়াও পেদ্রোর ম্যাজিকে ব্রাজিলেরই ক্লাব ফ্লুমিনেন্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছল চেলসি। ২০২১ সালের পর চার বছর বাদে ফের ফাইনালে উঠল ইংলিস প্রিমিয়ার ক্লাবটি। আগামী রবিবার (১৩ জুলাই) ফাইনালে পিএসজি ও রিয়াল মাদ্রিদের জয়ী দলটির মুখোমুখি হবেন এনজা মারাসকার শিষ্যরা।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দুই দল। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আক্রমণ থেকে ফ্লুমিনেন্স বক্সের কাছাকাছি জায়গায় বল পান পেদ্রো। সেখান থেকেই দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে অতর্কিতে শট নেন। ফ্লুমিনেন্স গোলরক্ষক ফাবিও ঝাঁপিয়ে পড়েও নাগাল পাননি বলের। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। গোল হজম করার পরেই শোধের জন্য তেড়েফুঁড়ে ঝাঁপায় ফ্লুমিনেন্সের খেলোয়াড়রা। খানিকবাদেই চেলসির গোল লক্ষ্য করে শট নেন ফ্লুমিনেন্সের মার্ক কুকুরেয়া। সেই শট জালে জড়ানোর আগে গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে অবধারিত গোল রুখে দেন চেলসির এক খেলোয়াড়। ৩৬ মিনিটে হ্যান্ডবলের কারণে রেফারি প্রথমে ফ্লুমিনেন্সের পক্ষে পেনাল্টি দিলেও পরে ভিএআর দেখে তা বাতিল করেন। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে ইংলিস প্রিমিয়ার ক্লাবটি।
বিরতির পর ফের দুই দলই গোলের জন্য ঝাঁপায়। ৫৬ মিনিটে ফ্লুমিনেন্সের ঘুরে দাঁড়ানোর রাস্তা বন্ধই করে দেন ক্লাবটির ঘরের ছেলে পেদ্রো। এনজো ফার্নান্দেজের পাস থেকে বল পেয়ে একক প্রচেষ্টায় এগিয়ে দারুণ গোল করেন। এরপর ফ্লুমিনেন্স চেষ্টা করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ২-০ গোলে হেরেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় এবারের প্রতিযোগিতায় চমকে দেওয়া ব্রাজিলের ক্লাবটিকে। এদিন জয়ের ফলে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল চেলসি। ২০১২ সালে ফাইনালে হার মানতে হয়েছিল ইংলিস প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটিকে। ২০২১ সালে অবশ্য শিরোপা জিতেছিল।