নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারত ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের স্নায়ুযুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তার মেঘ জমেছে। সেই মেঘ কাটাতে আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) জরুরি বৈঠকে বসছে আইসিসির গভর্নিং বডি। ভার্চুয়াল বৈঠকেই ঠিক হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভাগ্য। প্রতিযোগিতা যাতে সুষ্ঠভাবে আয়োজন করা যায় তার জন্য ভারত-পাক সঙ্ঘাত নিরসনে উদ্যোগী হয়েছে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড সহ একাধিক দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। তবে রণংদেহী মেজাজে থাকা বিসিসিআই ও পিসিবি কর্তারা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকলে জট সহজে নাও খুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই পাকিস্তানের মাটিতে বসার কথা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর। কিন্তু নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে দল পাঠাতে অস্বীকার করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ২০২৩ সালের এশিয়া কাপের মতোই হাইব্রিড মডেলে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হোক। অর্থাৎ ভারতীয় দলের খেলা অন্য কোনও দেশের মাটিতে আয়োজন করা হোক। কিন্তু ওই প্রস্তাবে বেঁকে বসেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। পিসিবি’র কর্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘বিসিসিআইয়ের অন্যায্য দাবির কাছে আত্মসমর্পণ করে যদি আইসিসি পাকিস্তান থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কোনও ম্যাচ সরিয়ে নেয়, তাহলে পুরো প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়াবে পিসিবি। পাকিস্তান দল অন্য কোনও দেশের মাটিতে খেলবে না।’
প্রতিযোগিতার মাত্র তিন মাস আগে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের অনমনীয় মনোভাবে যথেষ্টই চাপে পড়েছেন আইসিসির কর্তারা। জট কাটাতে তাই শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) জরুরি বৈঠকে বসছে গভর্নিং বডি। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিসিসিআইয়ের তরফে পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তার কারণে শ্রীলঙ্কা দলের সফরের মাঝপথে দেশে ফেরার উদাহরণ তুলে ধরা হবে। আইসিসির একটা অংশ চাইছেন, গ্রুপ লিগ খেলতে ভারতীয় দল পাকিস্তানে না গেলেও ফাইনালে উঠলে পাক মুলুকে খেলুক।