Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

৭০০ বছরের এক প্রাচীন মন্দির, এখানে সপরিবারে পূজিত হন গণপতি বাপ্পা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতি বছর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতে গণেশ চতুর্থী পালিত হয়। ভারতে বহু গণেশ মন্দির রয়েছে। তার মধ্যে বেশ কিছু মন্দিরে আবার অলৌকিক ঘটনাও ঘটে। এমনই একটি মন্দির হল রাজস্থানের রণথম্বরের ৭০০ বছরের পুরনো ত্রিনেত্র গণেশ মন্দির। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই মন্দিরের গৌরবগাথা এবং পৌরাণিক গুরুত্ব সম্পর্কে।

রাজস্থানের রণথম্বর জঙ্গল সাফারির জন্য যতটা বিখ্যাত, ততটাই বিখ্যাত ৭০০ বছরের প্রাচীন গণেশ মন্দিরের জন্য। এই মন্দিরের একটি অনন্য পরিচয় রয়েছে। মনে করা হয় গণপতি বাপ্পা এখানে একা থাকেন না। তাঁর সঙ্গে থাকেন সমগ্র পরিবার। সাধারণত যে কোনও মন্দিরে বিঘ্নহর্তা গণেশকে একা বসে থাকতে  দেখা যায়। এই মন্দিরে তিনি বিরাজিত স্ত্রী ঋদ্ধি-সিদ্ধি, পুত্র শুভ-লাভ এবং বাহন ইঁদুরের সঙ্গে। তাই গণপতির সঙ্গে পূজিত হন এঁরাও। এই কারণেই মন্দিরটিকে ত্রিনেত্র গণেশ মন্দির বলা হয়।

কিংবদন্তি অনুসারে, এই ত্রিনেত্র গণেশ মন্দিরের ইতিহাস ৭০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দে, রাজা হাম্বির খিলজি সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। সেই সময় আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য রাজপুত রাজারা বড় বড় দূর্কগ তৈরি করতেন। তা ঘেরা থাকত বিশাল বিশাল প্রাকার দিয়ে। শত্রুপক্ষ আক্রমণ করতে আসছে খবর পেলেই বন্ধ করে দেওয়া হত প্রাকার।

সেবারও খিলজি আক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল দুর্গের প্রাকার। এদিকে আলাউদ্দিনও দিল্লি ফেরার নাম গন্ধ করেন না। অন্যদিকে, দীর্ঘস্থায়ী অবরোধে রণথম্বর দুর্গের ভিতরে খাবার ফুরিয়ে যেতে শুরু করে। তারপর এক রাতে গণেশ ভক্ত রাজা হাম্বির স্বপ্ন দেখলেন বিঘ্নহর্তা তাঁর সামনে আবির্ভূত হয়ে রানাকে আশ্বস্ত করেছেন যে রাত কাটতেই সকল সমস্যার সমাধান হবে।

আঁধার কেটে ভোর হতেই রানা দেখলেন যেন কোনও অলৌকিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে। রণথম্বর দুর্গে আবির্ভূত হয়েছেন ত্রিনেত্র নিয়ে গণেশ মূর্তি। কিছুক্ষণের মধ্যেই রানার খাদ্যভাণ্ডার পূর্ণ হতে শুরু করে। যুদ্ধও অচিরে শেষ হয়ে যায়। আলাউদ্দিন খিলজি ব্যর্থ মনোরথ হয়ে ফিরে যান দিল্লিতে। এরপর ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে রানা হাম্বির ত্রিনেত্র গণেশ মন্দির নির্মাণ করেন। সেখানে গণপতি স্থাপিত হন সপরিবারে। কালক্রমে এই মন্দিরই ভিখ্যাত হয়ে ওঠে।

ত্রিনেত্র গণেশ মন্দিরের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হল বাপ্পার পুরো পরিবার এখানে অধিষ্ঠিত। এখানে গণপতির তিন চোখ। তাঁর পাশে স্ত্রী ঋদ্ধি এবং সিদ্ধি। তাদের সঙ্গে রয়েছেন দুই পুত্র শুভ এবং লাভ। ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে এই সপরিবার গণেশ দর্শনে জীবনে সুখ এবং সমৃদ্ধি আসে। এছাড়াও, ভগবান গণেশের আশীর্বাদ পাওয়া যায়।

এই মন্দিরের একটি বিশেষ ঐতিহ্য রয়েছে। এখানে মানুষ গণপতি বাপ্পাকে চিঠি লেখে। আজও প্রতিদিন হাজার হাজার চিঠি মন্দিরে আসে। চিঠিতে লেখা থাকে মানুষের জীবনের ইচ্ছা, সমস্যা, পরিবারের জন্য মঙ্গল কামনা। পুরোহিত এই চিঠিগুলি ভগবান গণেশের চরণে অর্পণ করেন। বলা হয় যে, যে ব্যক্তি শুদ্ধচিত্তে ভগবান গণেশকে চিঠি লেখে, তার ইচ্ছা অবশ্যই পূর্ণ হয়।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00