নিজস্ব প্রতিনিধি : ঘূর্ণাবর্তটি গভীর নিম্নচাপের জেরে রাজ্যজুড়ে চলছে বৃষ্টি। এই অবস্থাতেই সামনেই রয়েছে গণেশ পুজো। মূর্তি শুকানো থেকে রং করা বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিন্তায় রয়েছেন কুমোরটুলির পটুয়ারা। তারপরেও রকমারি সাজে গণেশকে সাজিয়ে তুলছেন তাঁরা। কোথাও কার্তিকের থেকে ময়ূরের পালক ধার করে গণেশকে সাজানো হয়েছে, আবার কোথাও ব্যবসায়ী শেঠের মত করে মাথায় পাগড়ী দিয়ে সেজেছেন পার্বতীনন্দন।
পুজো কমিটিগুলোর বিভিন্ন ধরনের চাহিদায় সেজে উঠেছেন সিদ্ধিদাতা। বুধবার গণেশ পুজো। তার আগে কুমোরটুলিতে ভিড় জমিয়েছেন পুজো কমিটিরা। গণেশ চতুর্থী উপলক্ষ্যে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে । মুম্বাইতে এই গনেশ চতুর্থী ধুমধাম এর সঙ্গে পালন করা হলেও কলকাতাতে ভিড় কম হয় না। তাই অনেক আগে থেকেই মূর্তি তৈরি তুমুল ব্যর্থতা শুরু হয়ে গিয়েছিল কুমোর পাড়া গুলোতে। বৃষ্টি এসে কিছুটা বাধা দিলেও সমস্যার সমাধান করেছেন পটুয়ারাই। সময় মত পারবতি নন্দনকে সাজিয়ে গুছিয়ে কমিটির হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত তাঁরা।
বিভিন্ন সাইজের বিভিন্ন রং এর বিভিন্ন দামের মূর্তি কিনতে পাওয়া যাচ্ছে কুমোরটুলিতে। অনেকেই জানিয়েছেন, এই কুমোরটুলি থেকেই তারা ঠাকুর কেনেন। প্রতিবছরের মতো এই বছরও সেটাই কিনছেন। তবে দাম অন্য বারের থেকে এবার বেড়েছে। গণেশ ঠাকুরের পাশাপাশি ভিড় জমেছে দশকর্মা ভান্ডারেও। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে এখনই প্রস্তুত রাখতে চাইছেন ভক্তরা। মিষ্টির দোকানেও রয়েছে দেদার প্রস্তুতি। মোদকের বাজার ইতি মধ্যেই চড়তে শুরু করেছে। এই মিষ্টিটি সিদ্ধিদাতার সবথেকে প্রিয়। বর্তমানে কলকাতাতে দেদার বিকেচ্ছে এই মোদক।কুমোরটুলির হিসাবই বলে দিচ্ছে, গত কয়েক বছরে গণেশপুজোয় ঝোঁক বেড়েছে আমবাঙালির ৷ তাই বেড়েছে মূর্তির চাহিদাও ৷ আর সেই চাহিদার জোগান দিচ্ছেন মৃৎশিল্পীরা ৷ বিভিন্ন সাজে সাজিয়ে তুলেছেন তাঁরা সিদ্ধিদাতাকে।