নিজস্ব প্রতিনিধি : খাদ্যাভ্যাসের সমস্যা ও জেনেটিক কারণে দেহে মেদ জমে। তারওপর রয়েছে শারিরীক কষ্ট না করার ফল। সারাদিন অফিসে বসে কাজ, নট নড়ন-চড়ন। এরফল হচ্ছে সাংঘাতিক। ক্রমশ শরীরে জমছে মেদ, বাড়ছে ওজন। কাজের চাপে অনেকেই ব্যায়াম করার সময় পান না। তাহলে কী করে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে ওজন। বর্তমান সময়ে সঠিক খাওয়ারের ওপরেই ভরসা করতে হবে।
মেদ ঝরানোর পাশাপাশি ওজন কমাতে চাইলে ভরসা রাখতে পারেন ফলের ওপরে। ফল মেদ ঝরানো ও ওজন কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। কিন্তু কী করে জানবেন কোন ফল খেলে শরীর ঠিক থাকবে। মেদ ও ওজন দুই থাকবে নিয়ন্ত্রণে। কোন ফলে ক্যালোরির পরিমাণ কম, কোথায় ফাইবারের পরিমাণ, কোন ফল পুষ্টির জোগান দেয় সেই ধারনা থাকলেই কেল্লা ফতে।
পিচ-র মধ্যে ক্যালোরির পরিমাণ কম। এই ফলে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। এগুলো ফ্যাট কমাতে ও ওজন ঝরাতে সাহায্য করবে।
কেউ যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে নাশপাতি খেতে পারেন। এই ফলে রয়েছে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই ফলটি খেলে পেট ভরা থাকবে এবং ওজন কমবে।
ওজন কমাতে চাইলে গ্রেপফ্রুট খাওয়া খুব ভালো। এরমধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। পাশাপাশি ভিটামিন এ এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। খুব কম সময়ে গ্রেপফ্রুট পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।
কিউই খাওয়াও শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। এই ফলে ফাইবার, লেট, ভিটামিন ই এবং সি আছে। অতিরিক্ত ফ্যাট সরিয়ে ওজন কমাতে দারুণ সাহায্য করে কিউই।
কেউ যদি কমলালেবু খায়, তাহলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। কমলালেবু ওজন কমানোর সঙ্গে সঙ্গে হজমশক্তির ওপরেও নজর রাখে। কমলালেবুতে রয়েছে ভিটামিন-সি। ত্বক ও চুলের ওপরেও নজর রাখে এই ফল।
পাশাপাশি র্যাসপবেরি, ক্র্যানবেরি জাতীয় ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও রয়েছে ব্লুবেরি। এইসব জামজাতীয় ফলে ক্যালোরির পরিমাণ কম। ওজন কমাতে সাহায্য করে এই ফল। আপেল ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। সেই কারণে আপেল খেলে পেট ভাড় থাকে, সহজে খিদে পায় না। তবে শুধু পল খেলে হবে না, ব্যায়ামের দিকে নজর দিতে হবে। পাশাপাশি ফ্যাটজাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে।