নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রত্যেকটা বার বা প্রত্যেকটা দিনের আলাদা এক তাৎপর্য আছে। সেই অনুযায়ী সেই বারে দেব দেবীর পুজো করলে ভক্তের জীবন থেকে বাধা বিপত্তি দূর হয়। তবে প্রত্যেকটা দেবদেবীর প্রিয় খাবার রয়েছে। সেই খাদ্য সামগ্রী ভোগ বা নৈবেদ্য রূপে নিবেদন করা হয়। এতে প্রসন্ন হয়ে থাকেন দেব দেবী গণ। আপনি কী জানেন কোন দেবী-দেবতার কোন খাবার প্রিয় ? তবে জেনে নিন কোন ঠাকুরকে কোন ভোগ বা নৈবেদ্য নিবেদন করবেন।
বিষ্ণু/ মহাপ্রভু/ জগন্নাথ : বিষ্ণু হলেন জগতের নাথ। তাঁর প্রিয় খাবার হল পায়ের বা সুজির হালুয়া।শাস্ত্র মতে বিষ্ণুর ভোগে তুলসীর ব্যবহার করা অত্যাবশ্যকীয়। তাই ভোগের সঙ্গে নিবেদন করুন তুলসী পাতাও।
ভোলানাথ : ভোলানাথ হলেন দেবাদিদেব মহাদেব। কথায় আছে একটি ফুল ও বেলপাতাতেই তুষ্ট তিনি। তার উপর চলছে শ্রাবণ মাস। এই মাস ভীষণ প্রিয় শঙ্করের। তাই এইসময় তাঁর প্রিয় নৈবেদ্য নিবেদন করলে প্রসন্ন হন তিনি।কথিত আছে শ্রাবণ মাসে শিবের উপবাস করলে তাঁকে গুড়, ছোলা ও চিরৌঞ্জির ভোগ দিলে সুফল মেলে। এছাড়াও মিশ্রী শিবের পছন্দের ভোগ। তবে বেলপাতা অবশ্যই রাখবেন।
বজরংবলী : বজরংবলীকে যে ভোগই অর্পণ করুন না-কেন তাতে তুলসী পাতা দিতে ভুলবেন না। বজরংবলীকে খুশি করতে হালুয়া, পাঁচমেওয়া, গুড়ের লাড্ডু, বোঁদের লাড্ডু ভোগ হিসেবে দিতে পারেন।
মা লক্ষ্মী : লক্ষ্মীকে পায়েস, সাদা রঙের বরফি অর্পণ করা শুভ। যাঁরা বৈভব লক্ষ্মীর উপবাস করেন, তাঁরা প্রতি শুক্রবার লক্ষ্মীক পায়েসের ভোগ অর্পণ করতে পারেন। এছাড়াও পরিবারের লোকেরা হাসিখুশি মিলেমিশে থাকলে লক্ষ্মী অত্যন্ত প্রসন্ন হন।
দেবী দুর্গা : প্রসাদ হিসেবে হালুয়া দেবী দুর্গার খুব প্রিয়। সামনেই নবরাত্রি ও দুর্গাপুজো। এছাড়াও কলা, নারকেল, মিষ্টি হালুয়া, মালপুয়া দুর্গার ভোগের মধ্যে অন্যতম।
গনপতি বাপ্পা : গণেশের সবচেয়ে প্রিয় ভোগ হল মোদক। মোদক ছাড়াও বোঁদের লাড্ডু, বেসনের লাড্ডুও খুব প্রিয় গণেশের। পৌরাণিক কাহিনি গণেশের ক্ষিদে পেলে মা পার্বতী তাঁকে মোদক তৈরি করে খাওয়াতেন।