নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্ষাকাল মানেই একাধিক রোগের সম্ভাবনা। সামান্য সর্দি কাশি থেকে শুরু করে জ্বর পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে এই সময়। তাই বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বর্ষাকালে বেশি সাবধানেই থাকতে হয়। খাবার থেকে শুরু করে জলের মধ্যেও বিভিন্ন সংক্রমণ লুকিয়ে থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলেই চেপে ধরে সংক্রমণ। তাই বর্ষাকালে অসুস্থ হয়ে পড়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।
বর্ষায় অফিস থেকে বেরোনোর সময় বা স্কুল কলেজ আসা-যাওয়ার পথে বৃষ্টিতে ভেজা স্বাভাবিক ঘটনা। তার ওপর সেই জল শরীরেই শোকানোর ফলে আরো ক্ষতি হচ্ছে। এরপরেই সর্দি, জ্বর, কাশির মত সংক্রমণ ঘটতে থাকে। বর্ষা আসার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ভাইরাস সক্রিয় হয়ে যায়। এই সময় জ্বর হলেই সকলেই প্যারাসিটামল খেয়ে নেন সঙ্গে সঙ্গে। এখানেই প্রশ্ন জ্বরে কটি প্যারাসিটামল খাওয়া উচিত? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন ইনফেকশন হওয়ার পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তাকে হারানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকে। জ্বর কমাতে সবথেকে কার্যকরী ওষুধ হল প্যারাসিটামল। এই ওষুধ খাবার পর দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যায়। কমতে শুরু করে জ্বর। জ্বর কমানোর পাশাপাশি ব্যথা যন্ত্রণা দূর করার কাজেও প্যারাসিটামলের কাজ অতুলনীয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একজন সুস্থ সবল মানুষ দিনে চার থেকে ছটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। অর্থাৎ চার ঘণ্টা অন্তর অন্তর একটি করে। ছটির বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া প্রয়োজন হয় না। জ্বর না এলে প্যারাসিটামল খাওয়ার কোন প্রয়োজন হয় না। তাই জ্বর এলেই একমাত্র প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। কারোর ওজনের ওপর নির্ভর করে প্যারাসিটামল এর পাওয়ার। ৬০ কেজির নিচে কারণ ওজন হলে প্যারাসিটামল ৫০০ খেলেই হয়ে যায়। ৬০-র বেশি হলে ৬৫০ খাওয়া প্রয়োজন হয়।